Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Air India

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনার জন্য দায়ী পাইলটের আত্মহত্যাপ্রবণতা! বিস্ফোরক দাবি বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের

ভারতে পাইলটদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই, আক্ষেপ ওই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৫, ১২:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৫, ১২:২৭

options
link
এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনার জন্য দায়ী পাইলটের আত্মহত্যাপ্রবণতা! বিস্ফোরক দাবি বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৭১-এর মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর এই প্রথম দেশের এক শীর্ষস্থানীয় বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এর পিছনে কোনও একজন পাইলটের আত্মহত্যার প্রবণতার সম্ভাবনার কথা বললেন। ভারতের অন্যতম অভিজ্ঞ বিমান নিরাপত্তা বিশ্লেষক ক্যাপ্টেন মোহন রঙ্গনাথন একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারটির ইঞ্জিনের ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচগুলি যে ভাবে দ্রুত ‘রান’ থেকে ‘কাটঅফ’-এ পরিবর্তিত হয়েছিল, তা কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, বরং সম্পূর্ণভাবে মানবহস্তে সংঘটিত, এবং সম্ভবত আত্মহননের উদ্দেশ্যেই।

প্রাথমিক তদন্তে প্রকাশ, ককপিটের মাঝখানে থাকা যে ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচগুলি দিয়ে ইঞ্জিনে জ্বালানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হয়, সেগুলি এমনভাবে নকশা করা যাতে সেগুলি হঠাৎ করে বা ঝাঁকুনিতে চালু/বন্ধ না হয়। এগুলি সরাতে হলে হাত দিয়ে গার্ড রেল সরিয়ে টেনে তুলতে হয়। অর্থাৎ, অসাবধানতাবশত বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ককপিট ভয়েস রেকর্ডারে ধরা পড়ে, একজন পাইলট অন্যজনকে জিজ্ঞেস করছেন-“তুমি সুইচ কেন বন্ধ করলে?” জবাবে উত্তর আসে, “আমি কিছুই করিনি।” ক্যাপ্টেন রঙ্গনাথনের মতে, যেহেতু উড্ডয়নের সময় কো-পাইলট ক্লাইভ কুন্দার ছিলেন ‘পাইলট ফ্লাইং’, তার দুই হাত স্টিক কন্ট্রোলে ছিল। অন্যদিকে, ক্যাপ্টেন সুমিত সভরওয়াল ছিলেন ‘পাইলট মনিটরিং’-এ, যাঁর হাত খালি ছিল। তাই সুইচ অফ করার জন্য একমাত্র তিনিই শারীরিকভাবে সক্ষম ছিলেন। রঙ্গনাথন দাবি করেছেন, ক্যাপ্টেন সভরওয়ালের পূর্বে দীর্ঘ মেডিক্যাল ছুটি নিয়েছিলেন এবং তাঁর একটি মানসিক স্বাস্থ্যজনিত ইতিহাস রয়েছে বলে অন্য পাইলটরা তাঁকে জানিয়েছেন। যদিও এএআইবি-এর রিপোর্ট বলছে, উভয় পাইলটই চিকিৎসাগতভাবে ফিট ছিলেন। রঙ্গনাথনের আশঙ্কা, অতীতে জার্মানউইংস, সিল্কএয়ার, মিশরএয়ার, চায়না ইস্টার্ন কিংবা মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স-এর মতো ঘটনা থেকেও শিক্ষা নেয়নি ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স সংস্থা বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ। তিনি বলেন, ভারতে এখনও পাইলটদের কোনও মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়নের ব্যবস্থা নেই, নিয়মিত চাপ ও ক্লান্তির মধ্য দিয়ে তাঁদের চলতে হয়, যার প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।

এদিকে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কিঞ্জারাপু রাম মোহন নায়ডু সতর্কতার সুরে বলেছেন, “এটি কেবল প্রাথমিক রিপোর্ট। এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়। আমাদের পাইলটরা বিশ্বমানের। তাঁদের কল্যাণও আমাদের দায়িত্ব। চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত আমরা মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.