Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

এবার ফৈজাবাদেরও নাম বদলে দিলেন যোগী

উনিশে হিন্দুত্বই হাতিয়ার বিজেপির৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৮, ১৯:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৮, ১৯:২৮

options
link
এবার ফৈজাবাদেরও নাম বদলে দিলেন যোগী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীপাবলিতে কিছু ‘ভাল খবর’ অপেক্ষা করছে৷ আগেই এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী৷ অনেকে ভেবেছিলেন হয়তো রাম মন্দির নিয়ে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করবেন যোগী আদিত্যনাথ৷ না তেমনটা হয়নি৷ তবে ভক্তদের একেবারে নিরাশও করলেন না তিনি৷ ফৈজাবাদ শহরের নাম বদলে অযোধ্যা করেদিলেন বিজেপির হিন্দুত্ববাদের এই পোস্টার বয়৷ বুঝিয়ে দিলেন উনিশের লোকসভা নির্বাচনে হিন্দুত্ববাদই প্রধান হাতিয়ার হতে চলেছে পদ্ম শিবিরের৷

 

দীপাবলি উদযাপনে রামভূমিতে ‘রাম কি পাইড়ি’তে উপস্থিত হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী৷ সেখানেই উল্লেখযোগ্য সমস্ত ঘোষণাগুলি করেন তিনি৷ অযোধ্যার উন্নয়নে বিমানবন্দর, মেডিক্যাল কলেজ-সহ কয়েকশো কোটি টাকার একগুচ্ছ প্রকল্পেরও ঘোষণা করেন৷ তিনি জানান, মেডিক্যাল কলেজটি নামাঙ্কিত হবে রাজা দশরথের নামে এবং বিমানবন্দরটির নামকরণ হবে রামের নামে। এবারের দীপাবলিতে প্রভু রামের নামে প্রদীপ জ্বালানোর অনুরোধ করেছিলেন আদিত্যনাথ৷ সেই অনুরোধকে মান্যতা দিয়ে তিন লক্ষ প্রদীপ জ্বালান আদিত্যনাথ৷ তিনি বলেন, “অযোধ্যা আমাদের সম্মান ও ঐতিহ্যের প্রতীক। প্রভু রামের স্মৃতি জড়িত রয়েছে এই শহরের সঙ্গে। আজ থেকে এই শহরের নাম হবে অযোধ্যা”। আগেই ঐতিহ্যমণ্ডিত মোঘলসরাই রেল স্টেশনের নাম বদলেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার৷ সরকারিভাবে মোঘলসরাইয়ের নাম বদলে রাখা হয় পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় রেল স্টেশন৷ যোগীর রাজ্যে বদলাচ্ছে আরও তিন বিমানবন্দরের নাম৷ বদলের তালিকায় রয়েছে এলাহাবাদও৷ এদিন বিশেষ অতিথিদের মধ্যে মূখ্য ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার ফার্স্ট লেডি কিম জুং সুক। তাঁকে অভ্যর্থনা জানান যোগী।

রাম মন্দির মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর কেন্দ্রের উপর ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছে আরএসএস-সহ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। মন্দির ইস্যুতে বড়সড় আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে আরএসএস। সরকারকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়ে হিংসাত্মক আন্দোলনের ইঙ্গিত দিয়েছে সংঘ। সংঘের মুখপাত্র ভাইয়াজি জোশী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে ১৯৯২-এর মতো আন্দোলনে যাবে আরএসএস। ফলে রাজনৈতিক আবারও দেশে তৈরি হবে হিংসার পরিবেশ। ছড়িয়ে পড়বে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প। সূত্রের খবর, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য কী ধরনের পথ অবলম্বন করা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়ে গিয়েছে সরকারের অন্দরে। সরকার অধ্যাদেশের রাস্তা ধরবে, নাকি সংসদে এই সংক্রান্ত বিল নিয়ে এসে মন্দির নির্মাণের পথ সুগম করবে, কিংবা একেবারে অন্য কোনও রাস্তা নেওয়া হবে-তা নিয়ে আলোচনা চলছে জোরকদমেই।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.