Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

ভুয়ো খবর জঙ্গিদের থেকেও ভয়ংকর, মত কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর

দ্বিতীয়বার খবরের সত্যতা যাচাইয়ের পরামর্শ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৮, ১৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৮, ১৬:০৯

options
link
ভুয়ো খবর জঙ্গিদের থেকেও ভয়ংকর, মত কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভুয়ো খবর সন্ত্রাসবাদীদের থেকেও বিপজ্জনক। যা দেশের মানুষকে সত্যি তথ্য জানা থেকে বিরত রাখে। আর এই সত্য গোপন করার ফল যেকোনও সময় ভয়ংকর আকার ধারণ করতে পারে। বিঘ্নিত করতে পারে দেশের নিরাপত্তাকেও। এমনটাই মনে করেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী রাজ্যবর্ধন রাঠোর।

[বড় সাফল্য সেনার, কাশ্মীর থেকে উদ্ধার প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র]

Advertisement

একটা সময় ছিল, যখন দেশ-বিদেশের খবরাখবর জানার একমাত্র মাধ্যম ছিল সংবাদপত্র। কিন্তু, সকালের খবরের কাগজে যে খবর প্রকাশিত হয়, তা একদিনের পুরনো! অর্থাৎ গতকাল যা ঘটেছে, তা আপনি জানতে পারছেন আজ সকালে। সংবাদমাধ্যমের এই সীমাবদ্ধতা দূর করেছে টিভি কিংবা বলা ভাল, নিউজ চ্যানেল। আগের দিন নয়, আজ এই মুহূর্তে যা ঘটছে, সঙ্গে সঙ্গে তা জানতে পারছেন দর্শকরা। এখন আবার ডিজিটাল মিডিয়ার যুগ। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে চোখের নিমেষে ছড়িয়ে পড়ছে খবর। কিন্তু, ঘটনা হল, সেই খবর কতটা সত্যি? তা কে যাচাই করবে? সত্যি কথা বলতে, ডিজিটাল মিডিয়ায় সেভাবে নজরদারি চালানো সম্ভব নয়। ফলে অনেকক্ষেত্রে ভুয়ো খবর বা ফেক নিউজও ছড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর। দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দেশে এখন অজস্র ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম। ইন্টারনেট খুললেই অজস্র সংবাদতথ্য ভেসে আসতে থাকে। এতে কোনও অসুবিধা নেই। কারণ ডিজিটাল মাধ্যম আমাদের ভবিষ্যৎ। কিন্তু, এই ডিজিটাল মাধ্যমের প্রভাবকেও ততটাই গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। হাজার হাজার সাংবাদিক, সংবাদ সংগ্রহ করছেন। তা লিখছেন এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেই সব তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন। মুহূর্তে তা লক্ষ লক্ষবার শেয়ার হচ্ছে, পৌঁছে যাচ্ছে জনতার দরবারে। কখনও ফেসবুক, কখনও অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট মারফত। এখন এই তথ্যে সামান্যতম ভুল থাকার অর্থ মুহূর্তে সেই ভুল তথ্যই লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া। আর ভুল তথ্য যেকোনও ঝুঁকির জন্ম দিতে পারে। তাই ডিজিটাল মাধ্যমে যেকোনও খবর লেখার আগে গোটা প্রক্রিয়াটিকে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করে নেওয়া একান্ত জরুরি।

কিন্তু, সবসময়ই কী ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের অনিচ্ছাকৃত ভুল করে ফেলেন? কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোরের দাবি, কখনও কখনও আবার মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে বা অন্য কোনও কারণে সত্যিকে আড়াল করতে চান। পাঠকদের সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক বা শেয়ার করে কোনও খবর ছড়িয়ে দেওয়ার আগে সত্যতা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

[ প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন ‘বিদ্রোহী’ রঞ্জন গগৈ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.