BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

সম্মিলিত চেষ্টাতেও আটকাতে পারল না বিরোধীরা, রাজ্যসভায় পাশ জোড়া কৃষি বিল

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 20, 2020 2:29 pm|    Updated: September 20, 2020 2:36 pm

An Images

ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্মিলিত প্রতিবাদেও ব্যর্থ বিরোধীরা। সংখ্যাধিক্যের বলে রাজ্যভায় বিতর্কিত দুটি কৃষি বিল (Farm Bill 2020) পাশ করিয়ে নিল বিজেপি। রবিবার রাজ্যসভায় বিতর্কিত কৃষিবিলগুলি পেশ করেন কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র তোমর (Narendra Singh Tomar)। দীর্ঘ আলোচনা এবং বিতর্কের পর বিরোধী শিবিরের প্রবল বিক্ষোভের মধ্যেও দুটি কৃষি বিল পাশ করিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে সরকার।

কৃষিক্ষেত্রে ফসল বিক্রি এবং কৃষিপণ্যের বাজারে সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমাতে অনেক আগেই তিনটি অর্ডিন্যান্স জারি করেছিল কেন্দ্র। যে অর্ডিন্যান্সে বেসরকারি সংস্থার জন্য সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ফসল কেনার রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বেসরকারি সংস্থা চাইলে সরকারের অনুমতি ছাড়াই নিজেদের মতো দামে কৃষকদের কাছ থেকে ফসল কিনতে পারবে। তবে, এই বিলের পরও বর্তমানে সরকার যেভাবে ন্যূনতম সমর্থন মুল্য দিয়ে ফসল কেনে, সেই পদ্ধতিতে কোনও বদল আসবে না। বৃহস্পতিবার লোকসভায় এই অর্ডিন্যান্সগুলি বিল আকারে ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে যায়। যদিও কৃষকদের ধারণা, এই বিল পাশ হওয়ার ফলে বাজার থেকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ সরে যাবে। সরকার ধীরে ধীরে ন্যূনতম সমর্থন মুল্যে ফসল কেনা বন্ধ করে দেবে। ফলে কৃষকদের পুঁজিপতিদের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে। ইতিমধ্যেই পাঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকরা এই বিলের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন। আগামী ২৪-২৭ সেপ্টেম্বর পাঞ্জাবে রেল রোকো কর্মসূচি নিয়েছে কৃষকদের একটি সংগঠন। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ডাকা হয়েছে ভারত বনধ।

[আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু উন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের ৯০ শতাংশই খরচ করেনি যোগী সরকার, শুরু বিতর্ক]

এরই মধ্যে রবিবার রাজ্যসভায় বিলগুলি পেশ করেন কৃষিমন্ত্রী। অনেকদিন বাদে প্রায় সম্মিলিতভাবে বিরোধী শিবির এই বিলের বিরোধিতা করে। কংগ্রেস, তৃণমূল, আরজেডি, ডিএমকে, বামেরা এবং অকালি দল যৌথভাবে এর বিরোধিতা করে। এমনকী বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপির সঙ্গ দেওয়া বিজেডি এবং টিআরএসও এর বিরোধিতা করে বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেসবে গ্রাহ্য করেনি সরকার। নির্ধারিত সময়ের পরও অধিবেশন চালু রেখে এই বিলগুলির উপর ভোটাভুটির ব্যবস্থা করা হয়। ভোটাভুটির সময় বিরোধীরা সরকার বিরোধী স্লোগানও দেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি। শেষপর্যন্ত দুটি বিলই পাশ হয়ে যায়। কংগ্রেস এই বিলটিকে কৃষকদের মৃত্যুর পরয়ানা বলে বর্ণনা করেছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement