Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Farmer leader Dallewal

কৃষকের স্বার্থে ৩ মাস ১১ দিনের লড়াই, অবশেষে জলপানে অনশন ভাঙলেন জগজিৎ

ধালেওয়ালের অনশন প্রত্যাহারে স্বস্তির শ্বাস ফেলল সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৫, ১৬:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৫, ১৬:২১

options
link
কৃষকের স্বার্থে ৩ মাস ১১ দিনের লড়াই, অবশেষে জলপানে অনশন ভাঙলেন জগজিৎ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা ৩ মাস ১১ দিন পর অবশেষে অনশন ভাঙলেন কৃষক সংগঠন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা’র (নন পলিটিক্যাল) প্রধান জগজিৎ সিং ধালেওয়াল। শুক্রবার পাঞ্জাব সরকারের তরফে জানানো সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে, “আজ সকালে জলপান করে অনশন ভেঙেছেন ওই কৃষকনেতা।” ধালেওয়ালের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে শীর্ষ আদালত।

কৃষক সংগঠন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা’র (নন পলিটিক্যাল) প্রধান জগজিৎ সিং ধালেওয়াল। তাঁর নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে অভিযান করেছেন কৃষকরা। এমনকী সংসদ ভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছিল। তাতেও কেন্দ্র কৃষকদের পাঁচ দফা দাবি মানেনি। এমনকী সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার সঙ্গে কেন্দ্রের আলোচনাও শুরু হয়নি। শেষমেশ ধালেওয়াল বাধ্য হয়ে আমরণ অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নেন। এই পরিস্থিতিতে পাঞ্জাব সরকারের তরফে তাঁকে বারবার হাসপাতালে ভর্তি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি চিকিৎসা নিতে অস্বীকার করেন। এই পরিস্থিতিতে মাঠে নামে শীর্ষ আদালত। গত বছর শীর্ষ আদালত জানায়, “হয়তো ওনাকে কেউ চিকিৎসা না নেওয়ার জন্য প্ররোচনা দিচ্ছেন। তাঁরা কি ওঁর জীবনের দায় নেবে?” পরে চিকিৎসা নিলেও অনশন প্রত্যাহার করেননি তিনি। অবশেষে দীর্ঘ ৩ মাস ১১ দিন পর ধালেওয়ালের অনশন প্রত্যাহারে স্বস্তির শ্বাস ফেলল সরকার।

Advertisement

এদিন ধালেওয়ালের প্রশংসা করে বিচারপতি বলেন, ধালেওয়াল অত্যন্ত ভালো একজন কৃষকনেতা। ওনার কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। আমরা জানি কিছু লোক কৃষকদের সমস্যার সমাধান করতে চায় না। তবে আমরা এভাবে বসে নেই। পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত। কৃষক সমস্যা মেটাতে হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে তিন সদস্যের যে কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছিল তার স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের দাবি সমূহ নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকার কতদূর কী ভেবেছে তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে শীর্ষ আদালত।

উল্লেখ্য, গত বছর কৃষকদের তরফে যে ৫ দফা দাবি তোলা হয়েছিল তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, পুরনো ভূমি অধিগ্রহণ আইনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ১০ শতাংশ প্লট এবং ৬৪.৭ শতাংশ বর্ধিত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ১ জানুয়ারি, ২০১৪ সালের পর অধিগ্রহণ করা জমির জন্য বাজারমূল্যের চার গুণ ক্ষতিপূরণ এবং ২০ শতাংশ প্লট দিতে হবে। এর পাশাপাশি সকল ভূমিহীন ও ভূমিহীন কৃষকের সন্তানদেরও কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের সুবিধা দিতে হবে। এবং সর্বোপরি আইন এনে এমএসপির গ্যারান্টি নিশ্চিত করতে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.