Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Farooq Abdullah

‘৩৭০ ধারা যদি এতই খারাপ হত…’, মোদিকে পালটা জবাব ফারুকের

৩৭০ ধারা থাকাকালীন গুজরাটের চেয়ে উন্নত ছিল জম্মু কাশ্মীর, রাজ্যসভায় দাবি করেছিলেন আজাদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৪, ১৬:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৪, ১৬:০৬

options
link
‘৩৭০ ধারা যদি এতই খারাপ হত…’, মোদিকে পালটা জবাব ফারুকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের তীব্র আপত্তি জানালেন উপত্যকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, “৩৭০ ধারা যদি এতই খারাপ হবে, তবে জম্মু কাশ্মীরের এত অগ্রগতি কীভাবে?” এবিষয়ে গুলাম নবি আজাদের বক্তব্যকেও হাতিয়ার করলেন তিনি। যেখানে রাজ্যসভায় আজাদকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ৩৭০ ধারা থাকাকালীন মোদির নিজের রাজ্য গুজরাটের চেয়ে এগিয়ে ছিল জম্মু ও কাশ্মীর।

বৃহস্পতিবার জম্মু কাশ্মীরের শ্রীনগরে এক জনসভায় উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, সংবিধানে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর জম্মু কাশ্মীরের উন্নয়ন শিখর ছুঁয়েছে। এখানকার মানুষ শান্তিতে শ্বাস নিতে পারছেন। শুধু তাই নয়, উপত্যকায় একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি তিনি বলেন, আগামী ৫ বছর উন্নয়নে নিরিখে ‘নয়া জম্মু ও কাশ্মীর’ দেখবে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর সেই মন্তব্যের পর শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মোদিকে পালটা জবাব দেন জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা। তিনি বলেন, “যদি ৩৭০ ধারা এতটাই খারাপ বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী, তাহলে বলব, উনি যেন রাজ্যসভার তৎকালীন বিরোধী নেতা গুলাম নবি আজাদের বক্তব্য আরও একবার শোনেন। যেখানে আজাদ ৩৭০ ধারা বহাল থাকাকালীন গুজরাট এবং জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের তুলনা করেছিলেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: হিজাবের পালটা গেরুয়া স্কার্ফ, ফের বিতর্কে উত্তাল কর্নাটকের কলেজ]

এর পরই মোদির ভাষণের সমালোচনা করে ফারুক বলেন, “যদি জম্মু ও কাশ্মীরের বেহাল পরিস্থিতির জন্য ৩৭০ ধারা ও পরিবারবাদ দায়ী হয়, তাহলে তৎকালীন সময়ে এখানে এত উন্নয়ন কীভাবে হয়েছিল?” পরিবারবাদ নিয়েও মোদির মন্তব্যের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হয়েও আমি এখানে আমি নির্বাচন হেরেছি। তাহলে পরিবারবাদের যে অভিযোগ করা হচ্ছে তার ভিত্তি কী?”

[আরও পড়ুন: লোকসভার আগেই দেশজুড়ে চালু হবে CAA, ফের দাবি অমিত শাহের]

পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ, “এখন এখানে শিক্ষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। আগে প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে ছিল উপত্যকায়। আমি বলব, ৩৭০ ধারা থাকালীন রাজ্যের কী পরিস্থিতি ছিল এবং এর পর কী অবস্থা তা কোনও নিরপেক্ষ কমিটি গঠন করে অনুসন্ধান করানো হোক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.