Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Fiscal Deficit

রাজস্ব ঘাটতি ছাড়াল ৬২ শতাংশ, কোষাগারে ধস ঠেকাতে কী পদক্ষেপ কেন্দ্রের

কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমান অনুযায়ী রাজস্ব ঘাটতি থাকার কথা জিডিপির ৪.৪ শতাংশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৫:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১৫:৪৭

options
link
রাজস্ব ঘাটতি ছাড়াল ৬২ শতাংশ, কোষাগারে ধস ঠেকাতে কী পদক্ষেপ কেন্দ্রের zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুরনো বছরের শেষে রাজস্ব ঘাটতি নিয়ে বেশ চাপে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, নভেম্বরের শেষে কেন্দ্রের রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৯.৭৬ লক্ষ কোটি টাকা। এই পরিমাণ, ২০২৫-২৬ সালের বার্ষিক বাজেটে ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রার ৬২.৩ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে এই ঘাটতির পরিমান ছিল ৫২.৫ শতাংশ।

২০২৫-২৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমান অনুযায়ী রাজস্ব ঘাটতি থাকার কথা জিডিপির ৪.৪ শতাংশ। অর্থাৎ, ১৫.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা। সিএজি-র অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১৯.৪৯ লক্ষ কোটি টাকা পেয়েছ। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ লক্ষ ৯৩ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা কর, ৫ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা কর-বহির্ভূত রাজস্ব এবং ৩৮ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা ঋণ-বহির্ভূত মূলধন প্রাপ্তি।

Advertisement

সিজিএ-র তথ্য অনুসারে, এই সময়কালে কেন্দ্র করের অংশ হিসেবে রাজ্য সরকারগুলির কাছে ৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা পাঠিয়েছে। যা বছরের হিসেবে ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রের মোট খরচ হয়েছে ২৯.২৬ লক্ষ কোটি টাকা। এরমধ্যে ২২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা রেভিনিউ অ্যাকাউন্টে এবং ৬ লক্ষ ৫৮ হাজার ২১০ কোটি টাকা ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্টে। মোট রেভিনিউ খরচের ৭ লক্ষ ৪৫ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে সুদ জমা দিতে। এছাড়াঅ ২ লক্ষ ৮৮ হাজার ৩৩৩ কোটি খরচ হয়েছে বিভিন্ন ভর্তুকির জন্য।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট এসটিমেটের তুলনায় চলতি অর্থবছরে কেন্দ্রের মোট কর রাজস্বে ১.৫ লক্ষ কোটি টাকার ঘাটতি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। বুধবার মোদি সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই তামাকজাত পণ্যের উপর নতুন জিএসটি কার্যকর হচ্ছে। জিএসটি-র নতুন কাঠামোয় এগুলিই হতে চলেছে সবথেকে দামি পণ্য। এই অতিরিক্ত কর রাজস্ব ঘাটতিকে সামলানোর জন্যই করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.