Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Indian Army

সীমান্তে শত্রুকে ধ্বংস করতে প্রস্তুত, কোথায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৫ ‘ভৈরব’ কমান্ডো ব্যাটালিয়ন?

কারগিল দিবসের দিনে এই নতুন ব্রিগেডের ঘোষণা করেছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৫, ১২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৫, ১২:১৭

options
link
সীমান্তে শত্রুকে ধ্বংস করতে প্রস্তুত, কোথায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৫ ‘ভৈরব’ কমান্ডো ব্যাটালিয়ন? zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষায় ভৈরব কমান্ডো বাহিনীকে কাজে লাগাতে তৎপর ভারতীয় সেনা। একদিকে পাকিস্তান, অন্যদিকে চিন। যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষকে টক্কর দিতে নতুন পাঁচটি বিশেষ প্রশিক্ষণে পারদর্শী ব্যাটালিয়ন গড়েছে ভারতীয় সেনা। একটি সর্বভারতীয় প্রতিবেদন সূত্রে খবর, আপাতত পাঁচটি ভৈরব কমান্ডো ব্যাটালিয়ন তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটিকে চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য় উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের অধীনে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি দুই ভৈরব কমান্ডো ব্যাটালিয়নের একটিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল, এবং অন্য ব্যাটালিয়নকে পাকিস্তান সীমান্তে পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের মোতায়েন করা হবে।

লাদাখ নিয়ন্ত্রণ রেখায় চিনা বাহিনী এবং জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তে পাক সেনা এক সঙ্গে হামলা চালালে কী ভাবে ভারতীয় সেনা তার প্রত্যাঘাত করবে? বছর পাঁচেক আগে গালওয়ান লড়াইয়ের সময় উঠেছিল সেই প্রশ্ন। তারই জবাব খুঁজতে উন্নত অস্ত্রশস্ত্রের পাশাপাশি সেনার পরিকাঠামো বদলের পরিকল্পনাও শুরু হয়েছিল। তারই ফলস্বরূপ ভৈরব কমান্ডো ব্যাটালিয়ন এবার ময়দানে নামছে।

Advertisement

২৬ জুলাই কার্গিল যুদ্ধের বিজয় দিবসে সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী জানিয়েছিলেন, জাতীয় নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন হতে চলেছে। ২০২৩ থেকে ৩২ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর রূপান্তরের দশক হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। পরিকল্পনা মাফিক পদাতিক, গোলন্দাজ ও ট্যাঙ্ক রেজিমেন্টকে একত্র করে রুদ্র বিগ্রেড ও ভৈরব ব্যাটালিয়ন কমান্ডো ব্যাটালিয়ন নির্মাণ হবে বলে জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান।

তাছাড়াও ‘দিব্যাস্ত্র ব্যাটারি’ এবং শক্তিবান ইউনিট তৈরির কথাও বলেছিলেন তিনি। জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী আরও জানান ”এই পরিবর্তনগুলির লক্ষ্য হল ড্রোন, গোলাবারুদ, দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষমতার মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর প্রত্যাঘাতের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।” পরিকল্পনায় সীমান্তে মোতায়েন প্রতি পদাতিক ব্যাটালিয়নের সঙ্গে ড্রোন ও গোলন্দাজ বাহিনী রাখার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.