Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
সেরাম ইনস্টিটিউট

দেশের ৫টি জায়গায় হবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল, ‘বড় পরিকল্পনা’ কেন্দ্রের

শীঘ্রই প্রতিষেধকটির চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়াল শুরু করতে চায় সেরাম ইনস্টিটিউট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২০, ০৮:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২০, ০৮:৪১

options
link
দেশের ৫টি জায়গায় হবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল, ‘বড় পরিকল্পনা’ কেন্দ্রের zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর অপেক্ষা নয়। কোভ্যাক্সিনের পর এবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি ‘করোনা টিকা’রও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করছে ভারত। দেশের পাঁচটি জায়গায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সম্পন্ন করা হবে। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রের বায়োটেকনোলজি বিভাগ। সরকারি সূত্রের খবর, দেশের পাঁচটি বড় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই ভ্যাকসিনটির হিউম্যান ট্রায়ালের প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। এই ট্রায়াল সম্পন্ন করার জন্য বড়সড় পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার।

অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রজেনেকার (Oxford-AstraZeneca) সঙ্গে চুক্তি করে ভারতে অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (Serum Institute of India)। ভ্যাকসিনটির প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শুরুর পরই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করে বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থাটি। দেশের মাটিতে তৈরি হতে চলা টিকাটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কোভিশিল্ড’। এই ‘ভ্যাকসিনটি’র প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়াল আশানুরূপ ফল দিয়েছে। এবার এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা। আশানুরূপ ফল পেলেই ভ্যাকসিনটি তৈরি করা শুরু করে দেবে বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট। তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য ভারত সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল সেরাম। মঙ্গলবার সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রের বায়োটেকনোলজি বিভাগের সচিব রেণু স্বরূপ (Renu Swarup) জানিয়েছেন,”দেশের পাঁচ জায়গায় শুরু হবে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। মোট হাজার জন স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ভ্যাকসিনটির প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালে ইতিমধ্যেই সাফল্য এসেছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে সাফল্য এলেই এটি তৈরি করা শুরু করবে সেরাম।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: একটি সম্প্রদায়ের জন্য ‘সংরক্ষণ’ করা হতে পারে করোনার প্রতিষেধক! ইঙ্গিত সেরাম কর্তার]

উল্লেখ, সেরাম ইতিমধ্যেই এই ভ্যাকসিন তৈরির চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। কর্ণধার আদর পুনাওয়ালা (Adar Poonawalla) আগেই জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে নভেম্বরেই ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ ‘করোনা ভ্যাকসিনে’র ডোজ বাজারে চলে আসবে। আদর পুনাওয়ালার ঘোষণা, তাঁর সংস্থা যে ‘ভ্যাকসিন’ তৈরি করবে তার ৫০ শতাংশ ভারতীয় বাজারের জন্য বরাদ্দ থাকবে। বাকি ৫০ শতাংশ বাকি বিশ্বের জন্য।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.