Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৮ জুন ২০২৬

খাওয়ার অযোগ্য রেলে পরিবেশিত খাবার, CAG রিপোর্টে চাঞ্চল্য

রেলে কী ধরনের খাবার দেওয়া হয় জানেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৭, ০৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৭, ০৮:৫১

options
link
খাওয়ার অযোগ্য রেলে পরিবেশিত খাবার, CAG রিপোর্টে চাঞ্চল্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ভারতীয় রেলে যে খাবার পরিবেশিত হয়, তা মানুষের খাওয়ার উপযুক্ত নয়। শুক্রবার সংসদে যে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অডিট রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে, তাতে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

food

Advertisement

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ট্রেনে পরিবেশিত খাবারে দূষিত খাদ্যসামগ্রী ও পুনর্ব্যবহৃত পদার্থ ব্যবহার করা হয়৷ ব্যবহার করার শেষ তারিখ পেরিয়ে গিয়েছে, এমন বহু জিনিসও ব্যবহার করা হয় খাবার তৈরিতে। রান্নায় ব্যবহার করা হয় সেই সব সামগ্রী, যা মানুষের খাওয়ার যোগ্যও নয়। অথচ দাম নেওয়া হয় যথেষ্টই। শুধুমাত্র রান্নায় ব্যবহৃত সামগ্রীই নয়, বোতলজাত দ্রব্যের কথাও এই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্টেশনে যে জলের বোতল বিক্রি করা হয়, তাও স্বীকৃত কম্পানির নয়। অথচ তাই কিনতে বাধ্য হন যাত্রীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

food1

অডিটে দেখা গিয়েছে, রেলওয়ের ফুড পলিসি মাঝেমধ্যেই বদলায়। ফলে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের৷ ঠিক এই কারণেই রেল ফুড পলিসি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকেনা যাত্রীদের। তারা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। অডিট রিপোর্ট জানাচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার জন্য সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন জিনিস ব্যবহার করা হচ্ছে না। রেল ও ক্যাগের যৌথ দল এই নজরদারি চালায়। দেশের মোট ৭৪টি স্টেশনে নজরদারি চালানো হয়। পাশাপাশি, খতিয়ে দেখা হয় ৮০টি ট্রেনে পরিবেশিত খাবার। অভিযোগ পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে না কোথাওই। রিপোর্ট বলছে রান্না করা হচ্ছে অপরিশোধিত জল দিয়ে। রান্না করা খাবার ঢেকে রাখা হচ্ছে না। রান্নাঘরগুলি অপরিচ্ছন্ন, আবর্জনা ফেলার জায়গাগুলি খোলা। এই পরিবেশে রান্না চলছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সামগ্রী বিক্রি করার সময় কোনও বিলও দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনও দাম লেখা মেনু কার্ডও যাত্রীদের দেওয়া হয়না। ফলে খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া জলের বোতল, বা যে কোনও খাবারের সামগ্রী বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে রেলস্টেশনগুলিতে।

food3

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে রেলের তৈরি করা নিয়ম নীতিই লঙ্ঘিত হচ্ছে। ফলে যাত্রীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে৷ উন্নতমানের খাদ্য পরিবেশন করতে বদ্ধপরিকর রেল। রেলমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই রিপোর্টকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করা হয়েছে। তবে দেশের সাতটি জোনাল রেলে তা চালু করা সময়সাপেক্ষ। যদিও, ধীরে ধীরে তা চালু করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.