Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
নুন-রুটি

সত্য প্রকাশের জের! উত্তরপ্রদেশে নুন-রুটি কাণ্ডে মামলা দায়ের সাংবাদিকের নামে

যোগী সরকারকে অপমান করার জন্য মিথ্যে ভিডিও বানিয়েছে বলে অভিযোগ প্রশাসনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ১৫:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ১৫:১৩

options
link
সত্য প্রকাশের জের! উত্তরপ্রদেশে নুন-রুটি কাণ্ডে মামলা দায়ের সাংবাদিকের নামে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হুগলির বাণীমন্দির স্কুলে নুন-ভাত কাণ্ডের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সক্রিয় হয়ে উঠেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সঙ্গে সঙ্গে মিড-ডে মিলের মেনুতে এসেছিল পরিবর্তন। তারপর থেকে রাজ্যের প্রতিটি স্কুলেই মিড-ডে মিল নিয়ে  জল্পনা-কল্পনা চলছে। কিন্তু, প্রায় একই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে ভিন্ন ফল হল উত্তরপ্রদেশে!

[আরও পড়ুন: ৪০০ বছরের ‘লায়ন কিং’-এর রাজপ্রাসাদ সংস্কারের উদ্যোগ, লাদাখ পৌঁছলেন বিশেষজ্ঞরা]

হুগলির ঘটনার পরেরদিনই উত্তরপ্রদেশের পড়ুয়াদের সারি দিয়ে বসে নুন-রুটি খাওয়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছিল। বিষয়টি যে শুধু রাজ্যের সমস্যা নয় তা বুঝতে পেরেছিলেন সবাই। কিন্তু, পূর্ব উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের সরকারি বিদ্যালয়ের ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়ানোর অভিযোগে মামলা দায়ের হল এক সাংবাদিকের নামে। পবন জয়সওয়াল নামে ওই সাংবাদিক নাকি উত্তরপ্রদেশ সরকারকে অপমান করতেই এই কাজ করেছেন বলে অভিযোগ। তাই তাঁর নামে এফআইআর দায়ের করে মামলা শুরু করেছে মির্জাপুর জেলা প্রশাসন।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে স্থানীয় ব্লক শিক্ষা আধিকারিক অভিযোগ করেন, সাংবাদিক পবন জয়সওয়াল এবং ওই গ্রামের প্রধান ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকারকে অপমান করার জন্যই মিথ্যে ভিডিও বানিয়েছে।

[আরও পড়ুন: এনআরসি ইস্যুতে মুখ খুলেই বিস্ফোরক রাজনৈতিক কৌশলী প্রশান্ত কিশোর]

উত্তরপ্রদেশ মিড-ডে মিল অথরিটির ওয়েবসাইটের প্রকাশিত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী, রাজ্যের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের নিয়মিত ডাল, ভাত, রুটি এবং তরকারি খেতে দেওয়া হয়। মাঝে মধ্যে ফল এবং দুধ দেওয়া হয়।

যদিও ২৩ আগস্ট নুন-রুটির ওই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই এক অভিভাবক বলেন, ‘শুধু নুন-রুটিই নয়৷ মাঝে মাঝে পড়ুয়াদের নুন-ভাতও খেতে দেওয়া হয়৷ বিশেষ কিছু দিনে স্কুলে দুধ আনা হয়৷ তবে তা সব ছাত্রছাত্রীদের হাতে পৌঁছয় না৷ কলাও দেওয়া হয় না তাদের৷’ মির্জাপুরের জেলাশাসক অনুরাগ প্যাটেল এই ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘শিক্ষক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজারদের গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।’ এই মন্তব্যের পরেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয় ওই বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং সুপারভাইজার। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও ঘটনাটির বিস্তারিত বিবরণ জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু, তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ পেতেই দেখা যায় ওই স্কুলের শিক্ষক ও সুপারভাইজারের বদলে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় গ্রাম প্রধান ও সাংবাদিকের নামে।

এরপরই মির্জাপুর জেলা প্রশাসনের তরফে প্রতারণা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয় ওই দু’জনের নামে। তাদের অভিযোগ, ভিডিওটি তোলার সময় স্কুলে কেবল রুটিই রান্না হয়েছিল। তখনও পর্যন্ত কোনও সবজি রান্না হয়নি পড়ুয়াদের জন্য। আর সেই সুযোগে গ্রাম প্রধানের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে ওই ভিডিওটি তোলে অভিযুক্ত পবন জয়সওয়াল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.