Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kerala

চাটানো হল টয়লেট সিট, কমোডে মাথা ঢুকিয়ে ফ্ল্যাশ! স্কুলে র‍্যাগিংয়ের জেরে আত্মঘাতী পড়ুয়া

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী ও ডিজিপির কাছে আবেদন মৃতের মায়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ২০:০৭

options
link
চাটানো হল টয়লেট সিট, কমোডে মাথা ঢুকিয়ে ফ্ল্যাশ! স্কুলে র‍্যাগিংয়ের জেরে আত্মঘাতী পড়ুয়া zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুলের মধ্যে উঁচু ক্লাসের পড়ুয়াদের র‍্যাগিংয়ের জেরে আত্মঘাতী ১৫ বছরের কিশোর। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে কেরলের ত্রিপুন্নিথুরার এরনাকুলাম এলাকায়। অভিযোগ, স্কুলের লাগাতার র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়ে গত ১৫ জানুয়ারি ২৬ তলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয় সে। গোটা ঘটনা সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন মৃতের মা।

মিহিরের মায়ের সোশাল মিডিয়া পোস্ট অনুযায়ী, ‘স্কুলের মধ্যেই চরম অপমান করা হয়েছে ওকে। মারধর করার পাশাপাশি অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হয়। আমরা জানতে পেরেছি, ওকে টয়লেট সিট চাটতে বাধ্য করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কোমোডে ওর মাথা ঢুকিয়ে ফ্ল্যাশ চালিয়ে দেওয়া হয়। এত নৃশংস অত্যাচার ওর সঙ্গে করা হয়েছে যা ধারনারও বাইরে। এই ঘটনায় ছেলে রীতিমতো ভেঙে পড়েছিল।’ অভিযোগ স্কুলের লাগাতার অপমানিত হয়ে গত ১৫ জানুয়ারি নিজেদের অ্যাপার্টমেন্টের ২৬ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয় ওই কিশোর।

Advertisement

মিহিরের মায়ের দাবি, ‘ছেলের মৃত্যুর পর তাঁর সোশাল মিডিয়া পোস্ট ঘেঁটে আমরা জেনেছি কত ভয়ানক অত্যাচার করা হয়েছিল ছেলের সঙ্গে। এমনকী স্কুলে মিহিরের বন্ধুদের সঙ্গেও কথা বলে সব ঘটনা জানতে পেরেছি আমরা। উঁচু ক্লাসের একদল পড়ুয়া তাঁর সঙ্গে এই ধরনের দুর্ব্যবহার করত।’ ঘটনা এখানেই থামেনি তার গায়ের রং নিয়েও সবার সামনে অপমান করা হত।

এই ঘটনায় নির্যাতিত কিশোরের পরিবার সোশাল মিডিয়া পোস্ট-সহ সমস্ত তথ্যপ্রমাণ কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ও ডিজিপির কাছে পাঠিয়েছেন। এবং এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.