Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Noida

অভিজাত আবাসনেই শুটিং, চলত অনলাইন স্ট্রিমিং, দিল্লিতে ফাঁস বড়সড় পর্ন র‍্যাকেট

বিপুল টাকার লোভ দেখিয়ে বহু মেয়েকে পর্নদুনিয়ায় টেনে আনা হত বলে দাবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৫, ১০:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৫, ১০:০৮

options
link
অভিজাত আবাসনেই শুটিং, চলত অনলাইন স্ট্রিমিং, দিল্লিতে ফাঁস বড়সড় পর্ন র‍্যাকেট zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নয়ডায় এক বিরাট অনলাইন পর্নোগ্রাফি র‌্যাকেটের সন্ধান মিলল। যার মাথায় এক দম্পতি। বিদেশ থেকে আসা টাকায় ব্যবসা চলছিল রমরমিয়ে। এমনই দাবি ইডির। শনিবার ওই দম্পতির ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে ১৫.৬৬ কোটি টাকার বেআইনি বিদেশি ‘ফান্ডিং’-এর সন্ধান পেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তদন্তকারীদের দাবি, বিপুল টাকার লোভ দেখিয়ে বহু মেয়েকে পর্নদুনিয়ায় টেনে এনেছিল ওই দম্পতি। যদি লভ্যাংশের ৭৫ শতাংশই তারা হাতিয়ে নিত। গত পাঁচ বছর ধরে চলছিল ওই কাণ্ড। 

এই কাণ্ডে মূল অভিযুক্তের নাম উজ্জ্বল কিশোর। সে ও তার স্ত্রী নীলু শ্রীবাস্তব মিলে এই চক্র চালাত বলেই দাবি। অভিযোগ, ফেসবুকের মতো অনলাইন মঞ্চকে ব্যবহার করে ‘টোপ’ দেওয়া হত। প্রথমে ‘ইচ্যাটো ডট কম’ নামের একটি পেজ খোলা হয়েছিল। সেখানে মডেলিংয়ের লোক খোঁজার পোস্ট করা হত। আকর্ষণীয় বেতনের হাতছানিতে অনেকেই হাজির হয়ে যেতেন ওই দম্পতির ফ্ল্যাটে। তারপরই দেওয়া হত আসল কাজের প্রস্তাব। বলা হত পর্ন ভিডিওয় অংশ নিলে মিলবে বিপুল অর্থ। ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা রোজগারের এই ফাঁদ কেটে বেরিয়ে আসতে না পেরে অনেকেই যুক্ত হয়ে যেতেন। ইডি যখন তল্লাশি চালাতে ওই ফ্ল্যাটে যায়, তখনও সেখান থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। অনুমান, শয়ে শয়ে মহিলা এই র‌্যাকেটের সঙ্গে যুক্ত।

Advertisement

ওই ফ্ল্যাটে যেভাবে উচ্চপ্রযুক্তির সম্প্রচারের বন্দোবস্ত ছিল তা দেখে থ তদন্তকারীরা। জানা যাচ্ছে, ‘টেকনিয়াস লিমিটেড’ নামের এক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল অভিযুক্ত দম্পতি। এই সংস্থা জনপ্রিয় বহু পর্ন ওযেবসাইট পরিচালনা করত। এদিকে অভিযুক্ত উজ্জ্বল কিশোর ও তার স্ত্রী মিলে তাদের ফ্ল্যাটে ‘অনলি ফ্যানস’ বলে একটি অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মও চালাত। সেখানে অর্ধেক মুখ দেখানো, পুরো মুখ দেখানো, সম্পূর্ণ নগ্নতা ইত্যাদি অপশনও থাকত। খদ্দেররা তাদের পছন্দমতো অপশন বেছে নিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে টাকা পাঠিয়ে দিত। যদি সেই টাকার সিংহভাগই যেত উজ্জ্বল কিশোরের খাতে। এই ‘গুণধর’ এর আগে রাশিয়ায় থেকে সেখানেও একই কাজ করত বলে দাবি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.