BREAKING NEWS

১৪ কার্তিক  ১৪২৭  রবিবার ১ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কয়লা কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সদস্য দিলীপ রায়

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: October 6, 2020 6:42 pm|    Updated: October 6, 2020 6:52 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের কয়লা ব্লক সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সদস্য দিলীপ রায়। মঙ্গলবার তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেন সিবিআই আদালতের বিচারক ভারত পরাশর। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পাশাপাশি এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন কয়লা মন্ত্রকের দুই প্রাক্তন আধিকারিক প্রদীপ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ও নিত্যানন্দ গৌতম। আগামী ১৪ অক্টোবর তাঁর সাজা ঘোষণা করা হবে নয়াদিল্লির ওই বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালতে।

আজ থেকে ২০ বছর আগে অটলবিহারী বাজপেয়ী (Atal Bihari Vajpayee)’র আমলে কয়লা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ওড়িশার বিজু জনতা দলের তৎকালীন রাজ্যসভা সাংসদ দিলীপ রায় (Dilip Ray)। সেসময় তিনি ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলায় অবস্থিত ব্রহ্মডিহা কয়লা ব্লক (coal block)-টি বেআইনিভাবে ক্যাস্ট্রন টেকনোলজি লিমিটেড (CTL) -কে পাইয়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ২০১৭ সালে এই মামলটি নয়াদিল্লির বিশেষ সিবিআই আদালতে ওঠে। আর তারপর থেকে একাধিকবার শুনানি হওয়ার পর মঙ্গলবার কয়লা দপ্তরের প্রাক্তন রাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। তাঁর পাশাপাশি এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আমলা প্রদীপ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, নিত্যানন্দ গৌতম ও ক্যাস্ট্রন টেকনোলজি লিমিটেডের অধিকর্তা মহেন্দ্র কুমার আগরওয়াল।

[আরও পড়ুন: জিতলে নীতীশই মুখ্যমন্ত্রী, চূড়ান্ত হল বিহার নির্বাচনে এনডিএ’র আসন সমঝোতা ]

মঙ্গলবার এই মামলা প্রসঙ্গে আদালত জানায়, দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বেআইনিভাবে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। দিলীপ রায় যে অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ পূরণ করার জন্য আইন ভেঙে এই কাজ করেছিলেন তা স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে। আর সবকিছু জেনেই এই কাজে তাঁকে যে দুজন শীর্ষ আমলা সাহায্য করেছিলেন তারও প্রমাণ মিলেছে। তাই তাঁদের প্রত্যেককেই এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হল।

[আরও পড়ুন: আরজেডির বহিষ্কৃত দলিত নেতা খুন, অভিযোগ তেজস্বী ও তেজপ্রতাপ যাদবের বিরুদ্ধে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement