সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যিনি রাঁধেন, তিনি চুলও বাঁধেন৷ যিনি একদিকে অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার, অন্যদিকে তিনিই আবার ফ্যাশন ডিজাইনার৷ আবার তিনিই পাশ করেছেন ইঞ্জিনিয়ারিং৷ একই অঙ্গে কত রূপ এই যুবতীর৷ তাঁর নাম মঞ্জিতা বানজারা৷

মঞ্জিতার পরিবারের প্রায় সকল সদস্যই ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে নিযুক্ত থাকা সত্ত্বেও, ছোটবেলা থেকে কখনও সেই কাজে নিজেকে যুক্ত করতে ইচ্ছে হয়নি তাঁর৷ তাই উচ্চশিক্ষার সিদ্ধান্ত যখন নিয়েছিলেন তখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্যই তৈরি হয়েছিলেন তিনি৷ কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েও যেন লেখাপড়ার আঁশ মেটেনি তাঁর৷ নতুন করে ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে লেখাপড়া করতে শুরু করেন তিনি৷ লেখাপড়ার পাশাপাশি, ফ্যাশন ডিজাইনিং কোম্পানিতে চাকরি করতেও শুরু করেন তিনি৷ কিন্তু এই সময়ই তাঁর মধ্যে এক অদ্ভুত ভাবনার সঞ্চার হয়৷ দেশের সেবা করতে ঠিক কী করা উচিত তা তিনি বুঝে পাচ্ছিলেন না৷ কিন্তু শেষে দেশ সেবার সঠিক পথ খুঁজে পেয়েই গেলেন মঞ্জিতা৷ বুঝলেন সিভিল সার্ভিসের মাধ্যমেই দেশের মানুষের সেবা করতে পারবেন তিনি৷ আর এরপরই সিভিল সার্ভিসের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন তিনি৷ বর্তমানে তিনি আহমেদাবাদের অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার৷ সরকারি পরিকাঠামোর অংশ হিসাবে দেশের মানুষের সেবা করার পাশাপাশি বহু নারী ও শিশুকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি৷ জানিয়েছেন, “আমার বন্ধু-বান্ধব লক্ষাধিক টাকা বেতন পান৷ কিন্তু আমার কাছে মানুষের সেবা করার মতো আর কোনও কাজ নেই৷”
মঞ্জিতা দেশের যুব সম্প্রদায়ের কাছে এক অনুপ্রেরণা৷

(বিদ্যুৎ ছাড়াই পাখা চালিয়ে তাক লাগালেন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার)
সর্বশেষ খবর
-
রাষ্ট্রবাদের রাখিবন্ধন, খোল বাজিয়ে মমতার বাড়ি সামনে কীর্তন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর!
-
‘আমার কুকুরটা কুকুর আর অন্যেরটা টমি’, কৃতীর পোশাক বিতর্কে কঙ্গনাকে চরম কটাক্ষ কুনিকার
-
মণ্ডপের আশেপাশে চলবে না আমিষ! বাংলার পুজোর আয়োজকদের বার্তা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের
-
ক্যামাক স্ট্রিটের বিলবোর্ড কাণ্ডে হাই কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল, দ্রুত শুনানির আর্জি, কী বলল আদালত?
-
‘আবর্জনা সাফ করার শপথ নিতে হবে’, রাখিবন্ধনে ‘যাদবপুরের দেশ বিরোধী’দের তোপ মুখ্যমন্ত্রীর