Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kerala

১৮ নয়, ছেলেমেয়েরা পরিণত হয় ২৫ বছরে! হাই কোর্টে দাবি কেরলের বিশ্ববিদ্যালয়ের

এক মামলায় এমন মন্তব্য ওই প্রতিষ্ঠানের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২২, ২১:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২২, ২১:২০

options
link
১৮ নয়, ছেলেমেয়েরা পরিণত হয় ২৫ বছরে! হাই কোর্টে দাবি কেরলের বিশ্ববিদ্যালয়ের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৮ বছর বয়সকেই এদেশে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বয়স ধরা হয়। কিন্তু কেরলের (Kerala) এক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, ওই বয়সেই ‘সম্পূর্ণ স্বাধীনতা’ দেওয়া উচিত নয়। ২৫ বছরের আগে কেউই পুরোপুরি পরিণত হয় না। এক মামলায় হাই কোর্টকে এমনটাই জানাল ওই বিশ্ববিদ্যালয়।

কেরলের কোঝিকোড়ের এক সরকারি মেডিক্যাল কলেজের মেয়েদের হস্টেলে রাত সাড়ে ৯টার পরে কাউকে বাইরে বেরতে দেওয়া হয় না। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ কেরল হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন এক ছাত্রী। ওই কলেজটি কেরল স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত। এই মামলাতেই আদালতে বিচারপতি দেবান রামাচন্দ্ররণের সিঙ্গল বেঞ্চে এমন যুক্তিই পেশ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির তরফে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দিল্লিতে আচমকা মুখোমুখি মোদি-শুভেন্দু, ‘ক্যায়সে হ্যায় আপ?’, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর]

ঠিক কী জানানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে? বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কোনও কারণ ছাড়াই হস্টেলের গেট খুলে রাখলে তা সমাজের পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে, যদি তা যথাযথ বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা ছাড়া করা না হয়। বহু গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, পথ দুর্ঘটনা ও তার ফলে মৃত্যু, মাদকের ব্যবহার, আত্মহত্যার ও খুনের প্রবণতা ইত্যাদির ক্ষেত্রে কিশোর বয়সেই বেশি থাকে। অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে, ওই বয়সেই পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়াটা অত্যন্ত ঝুঁকিবহুল।’ সেই সঙ্গে এও জানানো হয়েছে, পরিণতবয়স্ক হিসেবে চিহ্নিত করার বয়সেই যে মস্তিষ্ক পরিণত হবে এমন কোনও কথা নেই। এই দাবির সপক্ষে নানা ধরনের চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত গবেষণার কথা বলা হয়েছে। যা পেশ করে দাবি করা হয়েছে, কৈশোরের ওই বয়সে ঝুঁকিবহুল ড্রাইভিং থেকে সুরক্ষাবিহীন যৌনতা অথবা মাদক ব্যবহারের মতো নানা কাজ করার প্রবণতা বাড়ে।

পাশাপাশি আবেদনকারীর দাবি কোনও ভাবেই জরুরি দরকারেও রাত সাড়ে ৯টার পরে তাঁদের বেরতে দেওয়া হয় না। এই দাবিকে নস্যাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয় তেমন জরুরি প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষ অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করে দেখে। হস্টেল ও কলেজে শৃঙ্খলা বজায় রাখাও জরুরি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পরিষ্কার করে দিয়েছে, হস্টেল কোনও ভাবেই হোটেল নয়, যে সেখানে হোটেলের মতো পরিষেবা পাওয়ার আশা করা যেতে পারে।

[আরও পড়ুন: কলকাতাবাসীর জন্য সুখবর, বড়দিনে বেশি রাত অবধি চলবে মেট্রো, দেখে নিন সময়সূচি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.