জেলমুক্তির পরই পুরনো দল শিব সেনায় যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু দলে যোগ দিয়েও কোণঠাসা হয়ে পড়েন সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ খুনে অভিযুক্ত শ্রীকান্ত পানগড়কর। শুক্রবার বিএমসি বা বৃহন্মুম্বইয়ে বিজেপি এবং শিণ্ডে সেনা জোটের জয়জয়কারের মধ্যেই জালনা পুর নির্বাচনের একটি ওয়ার্ডে জয়ী হলেন সেই শ্রীকান্তই। নির্দল প্রার্থী হয়েই ছিনিয়ে নিলেন জয়।
জানা গিয়েছে, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৬২১ ভোটে জয়লাভ করেছেন শ্রীকান্ত। একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনা এই ওয়ার্ডে কোনও প্রার্থী দেয়নি। বাকিদের মধ্যে বিজেপি ও অন্য দলের প্রার্থীদের কার্যতই উড়িয়ে দিয়ে জিতে গিয়েছেন গৌরীহত্যার অন্যতম অভিযুক্ত। জয়ী হওয়ার অব্যবহিত পরই সমর্থকদের সঙ্গে জয় উদযাপন করতে রাস্তায় নেমে পড়েন তিনি। কিন্তু তাঁর জয়ের কথা জানাজানি হতেই বিতর্ক ঘনাতে থাকে একজন খুনে অভিযুক্তের এহেন জয় নিয়ে।
আরও পড়ুন:
১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৬২১ ভোটে জয়লাভ করেছেন শ্রীকান্ত। একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনা এই ওয়ার্ডে কোনও প্রার্থী দেয়নি। বাকিদের মধ্যে বিজেপি ও অন্য দলের প্রার্থীদের কার্যতই উড়িয়ে দিয়ে জিতে গিয়েছেন গৌরীহত্যার অন্যতম অভিযুক্ত।
VIDEO | Jalna, Maharashtra: Journalist Gauri Lankesh murder accused Shrikant Pangarkar celebrates his victory with supporters after winning the Jalna Municipal Corporation elections as an independent candidate.
#Jalna #MaharashtraCivicPolls2026
(Full video available on PTI… pic.twitter.com/slFETxVN1w
— Press Trust of India (@PTI_News) January 16, 2026
২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর খুন হন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী গৌরী লঙ্কেশ। সেই মামলায় ২০১৮ সালে গ্রেপ্তার হন শ্রীকান্ত। অভিযোগ ওঠে হত্যাকারীদের অস্ত্র জোগাড় করে দিয়েছিলেন তিনিই। দীর্ঘদিন জেলবন্দি থাকার পর জামিন পান তিনি। তাঁকে দেওয়া হয় এক বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী কমিটির প্রধানের দায়িত্ব। কিন্তু বিতর্ক দানা বাঁধতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে এবার সেই জালনারই পুর ওয়ার্ডে জয়ী হলেন শ্রীকান্ত।
এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অবিভক্ত শিব সেনার নির্বাচিত একজন কাউন্সিলর জালনা পৌর পরিষদের হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কিন্তু ২০১১ সালে টিকিট না পাওয়ায় দক্ষিণপন্থী হিন্দু জনজাগৃতি সমিতিতে যোগ দেন শ্রীকান্ত। এরপর ২০১৮ সালে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দেশীয় বোমা ও অস্ত্র উদ্ধারের পর মহারাষ্ট্র সন্ত্রাস দমন স্কোয়াড তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন এবং বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছিল।
শ্রীকান্তর জয়ের পর তাঁর সেই বিতর্কিত অতীত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই শ্রীকান্ত দাবি করেছেন, গৌরী লঙ্কেশ হত্যা মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। জয়ের পর তিনি সেকথা মনে করিয়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ধর্ষণের পর গলায় লেগিংস পেঁচিয়ে খুন! দিনহাটার পাটক্ষেতে উদ্ধার নাবালিকার দেহ, ক্ষোভ গ্রামবাসীদের
-
‘সিস্টেম সঙ্গে নেই, এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না মোদি’, বিস্ফোরক দাবি রাহুলের
-
আগামী সপ্তাহেই ‘অপারেশন লোটাস’! ভাঙার অপেক্ষায় তৃণমূলের সংসদীয় দলও, তালিকায় কারা?
-
হাজিরা দিলেই গ্রেপ্তারির আশঙ্কা, মেসি কাণ্ডে সমন এড়ালেন ‘অসুস্থ’ অরূপ বিশ্বাস, ক্ষুব্ধ শতদ্রু
-
আধুনিকীকরণের স্বার্থেই যাদবপুর-বাঘাযতীনে হকার উচ্ছেদ! তৃণমূলের ১৫ বছরের কাটমানির হিসেব চাইলেন শর্বরী