Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

উগ্র হিন্দুত্ববাদের বিরুদ্ধে সওয়ালকারীদের নিরাপত্তা জোরদার সিটের

দুষ্কৃতীদের হিটলিস্টে রয়েছেন বহু বিশিষ্টরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৮, ১৪:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০১৮, ১৪:৪৩

options
link
উগ্র হিন্দুত্ববাদের বিরুদ্ধে সওয়ালকারীদের নিরাপত্তা জোরদার সিটের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গৌরী লঙ্কেশ হত্যার তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর থেকে সচেতনভাবে এগোচ্ছে স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট। ইতিমধ্যেই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দল জানিয়েছে, শুধু লঙ্কেশ নন, তাদের তালিকায় ছিল একাধিক বিখ্যাত ব্যাক্তি। এমন স্বীকারোক্তির পর আর ঝুঁকি নেয়নি সিট। তাই যে সব বিশিষ্ট ব্যক্তি ও লেখকরা উগ্র হিন্দুত্ববাদের বিরোধিতা করেন, তাদের সংস্থার তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকে সতর্ক করা হয়েছে।

কিছুদিন আগেই গৌরী লঙ্কেশকে খুনের অভিযোগে পরশুরাম ওয়াগমারেকে গ্রেপ্তার করে সিটের গোয়েন্দারা। স্বীকারোক্তিতে সে জানিয়েছে, ধর্মকে বাঁচানোর জন্যই খুন করা হয়েছে লঙ্কেশকে। এমনকী গিরিশ কারনাডকে হত্যার চক্রান্তও তারা করেছিল বলে জানিয়েছে সে। এরপর থেকেই উগ্র হিন্দুত্ববাদের বিরুদ্ধে যাঁরা সওয়াল করেছেন, তাঁদের নিরাপত্তা জোরদার করেছে তদন্তকারী সংস্থা।

Advertisement

“ধর্মকে বাঁচানোর জন্যই খুন করেছি গৌরী লঙ্কেশকে”, স্বীকারোক্তি অভিযুক্তর ]

গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, তদন্তের সময় পরশুরামের ডায়েরি থেকে জানা গিয়েছে একাধিক বিখ্যাত ব্যক্তি তাদের টার্গেটে ছিল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, কন্নড় লেখক প্রফেসর কে এস ভগবান, নাট্যকার গিরীশ কারনাড, প্রাক্তন মন্ত্রী বি টি ললিতা নায়ক, সি এস দ্বারকানাথ ও যাজক বীরভদ্র চন্নমালা স্বামী। এছাড়া ডায়েরিতে মারাঠি ভাষায় কিছু নির্দেশ লেখা ছিল। সিট জানতে পেরেছে, কর্ণাটকে ওই দলের হয়ে লোকজন জোগাড় করত প্রবীণ। পরশুরামকে সেই নিয়োগ করেছিল।

তাদের দলের নেটওয়ার্ক ছিল সুদূরপ্রসারী। পাঁচটি রাজ্যে এর শাখা ছিল। এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৬০। কিন্তু কয়েকজন ছাড়া কারওর নাম এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে তদন্তকারী সংস্থা জানতে পেরেছে মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, গোয়া, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে এই দলের প্রতিপত্তি রয়েছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, মহারাষ্ট্রের হিন্দুত্ব জাগৃতি সমিতি ও সনাতন সংস্থা থেকেই নিয়োগ করত এরা। কিন্ত এই সব সংস্থা সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নয়। গোয়েন্দারা এই সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছিল, তারা লঙ্কেশ ও কালবুর্গীর মৃত্যুর দায় এড়িয়ে গিয়েছে।

গৌরী লঙ্কেশের আততায়ীদের পরবর্তী টার্গেট ছিলেন গিরিশ! ]

সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে সিটের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, গৌরী লঙ্কেশকে হত্যা করার আগে কে এস ভগবানকে খুন করার সমস্ত পরিকল্পনা সেরে ফেলেছিল সংস্থাটি। তারা শেষ পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছেও গিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই গোয়েন্দারা তাদের ধরে ফেলে। কে এস ভগবান হিন্দু দেবদেবীদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করতেন। সম্প্রতি পুলিশ ভগবানকে খুনের পরিকল্পনা ধরে ফেলে ও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.