Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Chhattisgarh

‘রাস্তা না দিলে, হেলিকপ্টার দিন’, শাহকে চিঠি ‘মাওবাদীমুক্ত’ সুকমার আদিবাসী গ্রামের বাসিন্দাদের

গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধানের অভিযোগ, 'আমরা জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলাশাসক পর্যন্ত প্রত্যেকের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু আশ্বাস ছাড়া, বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। আমাদের অভিযোগ শোনার মতো কেউ নেই।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১৫:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১৫:৩১

options
link
‘রাস্তা না দিলে, হেলিকপ্টার দিন’, শাহকে চিঠি ‘মাওবাদীমুক্ত’ সুকমার আদিবাসী গ্রামের বাসিন্দাদের zoom
ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার মারুকি গ্রামের বেহাল রাস্তা।
Advertisement

কোনও এককালে কিছুটা রাস্তা ছিল, তবে সে এখন প্রত্নতাত্ত্বিক ডেকে অনুসন্ধান করলেও বোধহয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। জায়গায় জায়গায় গর্ত, খানাখন্দে ভরা। সরকারের তরফে বরাবর শুধুই আশ্বাসই মিলেছে, কাজের কাজ কিছু হয়নি। এলাকা মাওবাদীমুক্ত হলেও, নেই ন্যূনতম নাগরিক সুবিধাটুকুও। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখলেন ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার মারুকি গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের আর্জি, ‘মন্ত্রীমশাই রাস্তা যদি দিতে না পারেন, তবে আমাদের হেলিকপ্টার দিন।’

গ্রামবাসীদের মতে, ১০ বছর আগে এলাকায় রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল সরকারের তরফে। ঠিকাদাররা বড় বড় গর্ত খুঁড়ে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের কাজ শুরু করলেও রাস্তার সিকিভাগও নির্মাণ হয়নি। মাঝপথেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই থেকে বিচ্ছিন্ন গ্রামটি, বিশেষ করে বর্ষাকালে। আগে তাও মাটির রাস্তায় যাতায়াতের সুযোগ থাকলেও বর্তমানে পুরো রাস্তা নুড়ি-পাথর ও গর্তে ভরা। সামান্যতম নাগরিক পরিষেবা পৌঁছয় না গ্রামে। কেউ অসুস্থ হলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার নেয়। গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীদের খাটিয়ায় করে বহু কিলোমিটার পথ পেরিয়ে প্রধান সড়কে নিয়ে আসা হয়। তারপর মেলে অ্যাম্বুলেন্স। দিনের পর দিন এই ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ গ্রামের বাসিন্দারা।

Advertisement

গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, ”গত ১০ বছর ধরে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ চলছে। কিন্তু আজও তা হয়ে ওঠেনি। বর্ষায় কেউ অসুস্থ হলে ভরসা একমাত্র নদীপথ।”

এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে অবশেষে গ্রামবাসীরা মিলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত নেন। চিঠিতে গ্রামবাসীদের তরফে জানানো হয়েছে, ‘প্রশাসন যদি একটি রাস্তা তৈরি করতে না পারে, তবে অন্তত একটি হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হোক মারুকি গ্রামের জন্য। যাতে বাসিন্দারা জরুরি অবস্থায় যাতায়াত করতে পারেন।’ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধানের অভিযোগ, ‘আমরা জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলাশাসক পর্যন্ত প্রত্যেকের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু আশ্বাস ছাড়া, বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। আমাদের অভিযোগ শোনার মতো কেউ নেই। তাই বাধ্য হয়েই চিঠি লেখা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে।

গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, ”গত ১০ বছর ধরে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ চলছে। কিন্তু আজও তা হয়ে ওঠেনি। বর্ষায় কেউ অসুস্থ হলে ভরসা একমাত্র নদীপথ। সরকার ছত্তিশগড়ের আদিবাসী গ্রামগুলির উন্নয়নের ঢালাও প্রচার করলেও, বাস্তবের সঙ্গে তার ফারাক বিস্তর।” গ্রামবাসীদের দাবি, “সরকারের তরফে জানানো হয়েছে মাওবাদীদের বাড়বাড়ন্তের জেরেই রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ হয়েছে। কিন্তু খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ছত্তিশগড় এখন মাওবাদীমুক্ত। তাহলে তো এখন রাস্তা তৈরিতে কোনও বাধা থাকা উচিত নয়। তাহলে কেন রাস্তা তৈরি হচ্ছে না?” অমিত শাহের কাছে মারুকি গ্রামের আর্জি অবিলম্বে এই বেহাল রাস্তা নির্মাণ করা হোক।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.