Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬

পরিদর্শনে যোগী, হাসপাতাল থেকে সরতে হল অসুস্থ শিশুদের

হাসপাতাল জুড়ে দুর্নীতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০১৭, ১১:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০১৭, ১১:০১

options
link
পরিদর্শনে যোগী, হাসপাতাল থেকে সরতে হল অসুস্থ শিশুদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  এতগুলো একরত্তি শিশুর বেঘোরে মৃত্যু। যাদের প্রাণবায়ু এখনও রয়েছে তাদেরও শান্তি নেই। উত্তরপ্রদেশের বিআরডি হাসপাতালে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা। এই খবরে হাসপাতাল থেকে অসুস্থ শিশুদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী মৃত্যুপথযাত্রী শিশুদের হাসপাতালের মেঝেতে রেখে চিকিৎসা চলে বলে অভিযোগ। যে অক্সিজেনের সরবরাহের অভাব নিয়ে কাণ্ড তা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে। সূত্রের খবর, অক্সিজেন সরবরাহে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছিল। নিয়ম না মেনে হাসপাতালের প্রিন্সিপাল একটি সংস্থাকে বরাত পাইয়ে দেন।

[ব্লু হোয়েলের থাবা পশ্চিমবঙ্গেও? আত্মঘাতী মেদিনীপুরের কিশোর]

যেদিকে চোখ যায় শুধুই গাফিলতি। দায় এড়ানোর খেলা। অভিশপ্ত বিআরডি হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনার তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসছে। অক্সিজেনের অভাবে শিশুদের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। অক্সিজেন সরবরাহের ক্ষেত্রে দুর্নীতির যোগ সামনে এসেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, অক্সিজেন সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও টেন্ডারই ডাকা হয়নি। নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হাসপাতালের অধ্যক্ষ তাঁর পছন্দের এক সংস্থা কাজ পাইয়ে দেন। চুক্তিও ছিল কাঁচা। পরীক্ষামূলকভাবে অক্সিজেনের বরাত দেওয়া হয়। অক্সিজেন আনা হয় হাসপাতাল থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূর থেকে। কেন স্থানীয় কোনও সংস্থাকে বরাত না দিয়ে অত দূর থেকে অক্সিজেন আনা হল সেই প্রশ্ন উঠেছে। অক্সিজেনের পাশাপাশি, চেপে বসেছে আরও অনেক রোগ। হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়, নার্স, এমনকী চিকিৎসকরাও প্রায় পাঁচ মাস মাইনে পাননি। এই ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যম হইচই করার পর দিন দুয়েক আগে তাঁদের বেতন হয়। পাশাপাশি হাসপাতালে প্রচুর শূন্যপদ রয়েছে। দীর্ঘদিন নিয়োগ হয়নি। ঘাটতি নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছিল পরিষেবা। অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আসল রোগ বেড়িয়ে পড়ে। তারপরই এই মৃত্যুমিছিল।

Advertisement

[প্রবল ধসে খাদে বাস, ৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা]

গাফিলতি ঢাকতে প্রথমেই বলির পাঁঠা করা হয় হাসপাতালের সুপারকে। তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। তবে প্রশাসন অবশ্য দাবি করে যাচ্ছে অক্সিজেনের অভাব নয়, এনসেফ্যালাইটিসে বাচ্চাগুলি মারা যায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিং কীভাবে নিজের দায় এড়াতে পারেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী কংগ্রেস, সপা, বসপা। মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ইস্তফা চেয়েছে বিরোধীরা। তবে এই ঘটনায় বিজেপির অন্দরে শুরু হয়েছে ডামাডোল। মুখ্যমন্ত্রীকে বেইজ্জত করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর একাংশ তাঁর বদনাম করতে এমন কাণ্ড করেছেন বলে অভিযোগ যোগী আদিত্যনাথের অনুগামীদের। গোরখপুর যেহেতু যোগীর নির্বাচনী কেন্দ্র তাই এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। হাসপাতাল থেকে চুপিসারে শিশুদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন অখিলেশ যাদব। গাফিলতি ঢাকতে মৃত শিশুদের ময়নাতদন্ত করা হয়নি বলেও তাঁর দাবি। এই সুযোগে রর্বাট বঢরাও যোগী সরকারকে আক্রমণ করেছেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের জন্য যেভাবে অসুস্থ শিশুদের অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হল তা নিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ পরিজনরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.