Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
বিজ্ঞাপনী চমক

চটকদারি বিজ্ঞাপনে রাশ টানতে উদ্যোগী কেন্দ্র, আইন সংশোধন করে কঠোর শাস্তির ভাবনা

৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা, পাঁচ বছরের জেল হতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০, ১৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০, ১৯:১৮

options
link
চটকদারি বিজ্ঞাপনে রাশ টানতে উদ্যোগী কেন্দ্র, আইন সংশোধন করে কঠোর শাস্তির ভাবনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাত দিনে গায়ের রং হবে ফর্সা, টাক মাথা ভরে যাবে চুলে, হাঁটুর ব‌্যথা গায়েব হবে নিমেষে। ম‌্যাজিকের মতো সমস্ত সমস‌্যা থেকে মিলে যাবে মুক্তি! এমনই সব মনভোলানো, বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে এবার কড়া শাস্তি দেওয়ার আইন আনছে কেন্দ্র।

অবাস্তব, চটকদার, মনভোলানো বিজ্ঞাপনী চমকের রমরমা বন্ধ করতে আইন সংশোধন করে পাঁচ বছরের জেল ও ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফর্সা হওয়ার ক্রিম, টাকে চুল গজানো, যৌনশক্তি বর্ধক, লম্বা হতে হেলথ ড্রিঙ্কস থেকে ডায়বেটিস, আর্থ্রাইটিস এমনকী ক‌্যানসার পর্যন্ত সেরে যাওয়ার ওষুধের বিজ্ঞাপন আর বরদাস্থ নয়। এসবে কড়া হাতে রাশ টানতে উদ্যোগী হল কেন্দ্র। পুরনো আইনে এমন ভুয়ো পণ্যের বিজ্ঞাপনদাতাদের জন‌্য তেমন কোনও গুরু শাস্তির কথা বলা ছিল না। এবার সেই শাস্তি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড করা হল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নির্ভয়া কাণ্ড: নতুন করে মৃত্যু পরোয়ানা জারির আরজি খারিজ আদালতে]

১৯৫৪ সালের ড্রাগস অ্যান্ড ম্যাজিক রেমিডিজ (অবজেকশনেবল অ্যাডভারটাইসমেন্ট) আইনকে কড়া করতে সম্প্রতি সংশোধনী খসড়া বিল তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। বর্তমান প্রথম দু’বার আইন লঙ্ঘনের শাস্তি যথাক্রমে ছ’ মাস ও এক বছরের জেল। জরিমানার কোনও অঙ্ক বলা নেই সেখানে। প্রস্তাবিত সংশোধনীর খসড়ায় আইন লঙ্ঘনের শাস্তি প্রথম বার দু’বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। ফের একই অপরাধ করার ক্ষেত্রে সেই শাস্তি যথাক্রমে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। ২০২০-র সেই প্রস্তাবিত বিলের খসড়া নিজেদের ওয়েবসাইটে দিয়ে দেশবাসীর কাছে মন্ত্রক পরামর্শ চেয়েছে। একইসঙ্গে আপত্তির কথাও জানতে চেয়েছে। আগামী ১৯ মার্চের মধ্যে তা জানাতে বলা হয়েছে। খসড়ায় বলা হয়েছে, ৭৮ রকমের অসুখ বা সমস্যা (আগে ছিল ৫৪টি) নিরাময়ে বিভ্রান্তিকর এই সব মনমোহিনী বিজ্ঞাপন কোনও গণমাধ্যমে দেওয়া যাবে না।

[আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তদের সঞ্চয়ে ধাক্কা, ফের ফিক্সড ডিপোডিটে সুদের হার কমাল SBI]

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এই আইনের প্রয়োগ নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে আয়ুর্বেদ, ইউনানি সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এমন কিছু ওযুধ বা পণ্যের বিজ্ঞাপন বিভিন্ন গণমাধ‌্যমে প্রচারিত হতে থাকে। অত‌্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তারা সমস‌্যা নিরাময়ের কথা ঘোষণা করে বিজ্ঞাপনে। যাতে প্রভাবিত হয়ে ভুল চিকিৎসার ফাঁদে পা দেন বহু সাধারণ মানুষ। তাই আইন প্রণয়নের সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োগের দিকেও কড়া নজর রাখতে হবে বলে মত তাঁদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.