সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শূন্যপদ রয়েছে প্রচুর, কিন্তু সেই তুলনায় অধ্যাপক কম। নতুন করে নিয়োগেও দেরি হচ্ছে, ফলে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পূরণ করা যাচ্ছে না শূন্যপদ। আর এই সমস্যা মেটাতেই এবার নয়া দাওয়াই কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকরের। প্রবীণ অধ্যাপক, যাঁরা ইতিমধ্যে অবসর নিয়ে ফেলেছেন কিন্তু বয়স ৭৫ পেরোয়নি, তাঁদের ফেরানোর কথা ভাবছে শিক্ষামন্ত্রক। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বুধবার ৪২টি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেন মন্ত্রী। তবে অবশ্যই সেই অধ্যাপকদের অতীতে পড়ানোর ভাল রেকর্ড থাকতে হবে। তাহলেই তাঁরা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়ানোর সুযোগ পাবেন। এমনটাই জানিয়েছেন জাভরেকর।
[৫১০টি সরকারি শূন্যপদে নিয়োগের ঘোষণা]
একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাভরেকর জানিয়েছেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের পুনরায় নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় মূলত দেখা হবে। প্রথমত, তাঁদের বয়স যেন ৭৫-এর কম হয়। দ্বিতীয়ত, অতীতে পড়ানোর ব্যাপারে ভালো রেকর্ড থাকতে হবে এবং তৃতীয়ত, প্রশাসনিক কাজে নয়, অধ্যাপনা ছাড়ার পর যাঁরা পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন – তাঁরাই মূলত এই সুযোগ পাবেন। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য পদ পূরণে এবং শিক্ষার মানকে আরও উন্নত করতেই এই পন্থা অবলম্বন করতে চাইছে কেন্দ্র। এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যাঁরা গবেষণারত, তাঁরাও দেশের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়ানোর সুযোগ পাবেন। এর পাশাপাশি, উপাচার্যদের তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, অধ্যাপকদের শূন্যপদ ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। এখন থেকে প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের মানোন্নয়নে সবরকমভাবে সাহায্য করবে কেন্দ্র, এই আশ্বাসও দিয়েছেন প্রকাশ জাভড়েকর।
[সরকারি কর্মী মারা গেলে চাকরি পাবেন বিবাহিত মেয়েও]
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে মোট ৫৩.২৮% শূন্য পদ রয়েছে। এনআইটি-তে রয়েছে ৪৭% । কিন্তু সেই অনুপাতে অধ্যাপক নিয়োগ হচ্ছে না। মন্ত্রকের বৈঠকে যোগ দেওয়া আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জাভেদ আখতার জানান, শুধু আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েই অন্তত ২০ শতাংশ শূন্য পদ রয়েছে। তাছাড়া, চলতি বছরের পয়লা এপ্রিলের রিপোর্ট অনুযায়ী, হরিয়ানার কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৫.১১ শতাংশ পদে কোনও অধ্যাপকই নেই। এদিকে, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৪.৫৭ শতাংশ পদে অধ্যাপক নেই।
[রোহিঙ্গা বিতর্কের মাঝেই চাকমা-হাজংদের নাগরিকত্ব দিচ্ছে ভারত]
সর্বশেষ খবর
-
‘সনাতন ধর্মের অপমান!’, ‘লাভ জেহাদ’ বিতর্কে আমির খানকে খুনের হুমকি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের
-
ধোঁয়ায় ঢাকা নিউ ইয়র্কে সূর্যরশ্মি আর্জেন্টিনা, দেশ বনাম ‘দেশ’ দ্বন্দ্বের সামনে ফুটবলের বরপুত্র
-
কেন নিখোঁজ হয়ে যান দময়ন্তী? পুলিশি তদন্তে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
-
কলকাতায় আপাতত বাড়বে অস্বস্তি! উত্তরবঙ্গে দুর্যোগের লাল সতর্কতা, সম্ভাবনা ভূমিধসের
-
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মেক্সিকো, জারি সুনামি সতর্কতা