Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

আগামী বছর থেকে মিলবে না হজ যাত্রার ভরতুকি!

ধর্মে নয়, বিনিয়োগ হোক শিক্ষায়। মত কেন্দ্রের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৭, ০৮:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৭, ০৮:০৪

options
link
আগামী বছর থেকে মিলবে না হজ যাত্রার ভরতুকি! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মে নয়, বিনিয়োগ হোক শিক্ষায়। এই মন্ত্রেই ২০১৮ সাল থেকে হজে ভরতুকি তুলে দিতে চলেছে কেন্দ্র। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই হজ যাত্রার খরচ বহন করবে না সরকার।

[‘হিন্দু সন্ত্রাস’ নিয়ে ক্ষিপ্ত কমল, মানসিক ভারসাম্যহীন বলে পালটা তোপ বিজেপির]

Advertisement

ধর্মের নাম অপচয় বন্ধ হোক। পরিবর্তে বিনিয়োগ করা হোক শিক্ষা ও উন্নয়নে। ক্রমশই দেশজুড়ে জোরাল হচ্ছে এই দাবি। চলতি বছর জানুয়ারি মাসে হজ নীতি খতিয়ে দেখতে এক কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় সরকার। সদ্য রিপোর্ট জমা দিয়েছে ওই কমিটি। এবছরই হজ যাত্রা নিয়ে সমস্ত সরকারি ভরতুকি তুলে দেওয়ার সুপারিশ করে ওই কমিটি। বৃহস্পতিবার হজ নীতিতে পরিবর্তন নিয়ে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রক, বিদেশমন্ত্রক, হজ কমিশন ও এয়ার ইন্ডিয়ার মধ্যে একটি বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, সেখানেই কেন্দ্র সাফ জানিয়ে দেয় যে আগামী বছর থেকে হজ যাত্রায় আর ভরতুকি দেওয়া হবে না।

২০১২ সালে হজ যাত্রা সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে কেন্দ্রকে ভরতুকি কমানো এবং ২০২২ সালের মধ্যে সেটি পুরোপুরি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের সেই রায়কে কার্যকর করতেই এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কেন্দ্র। ওই রায়ে কেন্দ্রকে হজ যাত্রায় প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা ভরতুকি দেওয়ার বদলে সেই অর্থ মুসলিম সম্প্রদায়ের শিক্ষা ও উন্নয়নে খরচ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, প্রতি বছর মক্কায় হজ যাত্রায় অংশ নেন ১ কোটি ৭০ লক্ষ মুসলিম। যার মধ্যে প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার জন ভারতীয় হজ কমিটির আর্থিক সাহায্যে মক্কা যান। বাকি ৪৫ হাজার দর্শনার্থীকে স্পনসর করে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা। এর আগে ২০১২ সালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, প্রতি বছর হজ যাত্রার ভরতুকির জন্য কেন্দ্র খরচ করে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা। তার বদলে ওই বিপুল অর্থ মুসলিম সম্প্রদায়ের শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণে ব্যবহার করতে কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। কেন্দ্রের মনোভাব বুঝিয়ে দিল ভরতুকির দিন শেষ। সংখ্যালঘুদের পাশে থাকতে তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়নে নজর দেওয়া হবে।

[টাকা নিয়ে সিট বিক্রির অভিযোগ রেল পুলিশের বিরুদ্ধে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.