সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০০৮ সালের আহমেদাবাদ (Ahmedabad blast) বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্ত ৭৭ জনের মধ্যে ২৮ জনকে অব্যাহতি দিল গুজরাটের (Gujarat) বিশেষ আদালত। বাকি ৪৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।
২০০৮ সালের ২৬ জুলাই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল আহমেদাবাদ। সেদিন সব মিলিয়ে ৭০ মিনিটের মধ্যে ২১টি জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। তাতে মৃত্যু হয় ৫৬ জনের। আহত হন ২০০-রও বেশি মানুষ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এই বিস্ফোরণের যড়যন্ত্র করেছিল ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন নামের এক জঙ্গী গোষ্ঠী। মনে করা হয়, ২০০২ সালে গোধরা অগ্নিকাণ্ডের পরে গুজরাটে যে দাঙ্গা হয়, তারই বদলা নিতে এই নাশকতামূলক চক্রান্ত করেছিল ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠীটি।
[আরও পড়ুন: ক্লিনিকে লম্বা লাইন নয়, পাড়ার স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকেই বিশেষজ্ঞর পরামর্শ পাবেন কলকাতাবাসী]
দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর সুরাটেরও বিভিন্ন জায়গায় বোমা উদ্ধার করা হয়। আহমেদাবাদে ২০ ও সুরাটে ১৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয় প্রাথমিক ভাবে। পরে সব মিলিয়ে ৮৫ জনকে আটক করা হয়। আদালতে অবশ্য তোলা হয় ৭৮ জনকে। পরে অভিযুক্তের সংখ্যা কমে হয় ৭৭। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে শুনানি শুরু হয়েছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করার অভিযোগের পাশাপাশি ইউপিএ ধারাতেও মামলা রুজু করা হয়।
দীর্ঘ দিন ধরেই চলছিল মামলাটির শুনানি। সব মিলিয়ে ১ হাজার ১০০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ২০১৩ সালে জেল থেকে পালানোরও চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। জেল চত্বরে মাটির তলায় ২১৩ ফুট গর্ত করে পালানোর মতলব করলেও তা সফল হয়নি। সেই অভিযোগটির মামলার শুনানি অবশ্য এখনও শেষ হয়নি।
[আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় ধাক্কা বিজেপির! বিধায়ক পদ ছেড়েই কংগ্রেসে যোগদান সুদীপ রায়বর্মণ, আশিস সাহার]
সর্বশেষ খবর
-
মাতলার চরে বৃদ্ধাশ্রম! ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ককে নোটিস
-
ডেকে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে আকণ্ঠ মদ্যপান, হোটেলে ‘গণধর্ষণ’! প্রশ্নের মুখে নির্যাতিতার বান্ধবীর ভূমিকা
-
সমুদ্রতটে ৭০০ ডলফিন ও তিমির লাশ! উৎসবের নামে নৃশংস হত্যালীলা, নিন্দায় সরব বিশ্ব
-
বিশ্বকাপ রুখতে ফুটবলারদের মূর্তি বিবস্ত্র করে প্রতিবাদ! শিক্ষকদের মার পুলিশের, উত্তপ্ত মেক্সিকো
-
বর্ষায় কীভাবে বাড়ি রক্ষা করবেন, জেনে নিন সহজ কৌশল