Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Gujarat High Court

৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন! আহমেদাবাদ বিস্ফোরণে অপরাধীদের সাজা বহাল হাই কোর্টের

২০০৮ সালে আহমেদাবাদ ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ৪৯ জন অপরাধীর সাজা বহাল রাখল হাই কোর্ট। এই মামলায় বিশেষ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে গুজরাট হাই কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল দোষীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৪:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৪:১২

options
link
৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন! আহমেদাবাদ বিস্ফোরণে অপরাধীদের সাজা বহাল হাই কোর্টের zoom
আহমেদাবাদ বিস্ফোরণে অপরাধীদের সাজা বহাল হাই কোর্টের।

২০০৮ সালে আহমেদাবাদ ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ৪৯ জন অপরাধীর সাজা বহাল রাখল হাই কোর্ট। এই মামলায় বিশেষ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে গুজরাট হাই কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল দোষীরা। মঙ্গলবার সেই মামলার সমস্ত আপিল খারিজ করে ৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা বহাল রাখল আদালত।

২০০৮ সালের ২৬ জুলাই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল আহমেদাবাদ। সেদিন সব মিলিয়ে ৭০ মিনিটের মধ্যে ২১টি জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। তাতে মৃত্যু হয় ৫৬ জনের। আহত হন ২০০-রও বেশি মানুষ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এই বিস্ফোরণের যড়যন্ত্র করেছিল ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন নামের এক জঙ্গী গোষ্ঠী। মনে করা হয়, ২০০২ সালে গোধরা অগ্নিকাণ্ডের পরে গুজরাটে যে দাঙ্গা হয়, তারই বদলা নিতে এই নাশকতামূলক চক্রান্ত করেছিল ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠীটি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০০৮ সালের ২৬ জুলাই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল আহমেদাবাদ। সেদিন সব মিলিয়ে ৭০ মিনিটের মধ্যে ২১টি জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। তাতে মৃত্যু হয় ৫৬ জনের।

২০২২ সালে এই মামলায় অভিযুক্ত ৭৭ জনের মধ্যে ২৮ জনকে অব্যাহতি দেয় বিশেষ আদালত। দোষী সাব্যস্ত করা হয় ৪৯ জনকে। তাদের মধ্যে ৩৮ জনকে ফাঁসির সাজা ও ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে বিচারপতি জানান, ”এই ধরনের জঙ্গি কার্যকলাপ যারা চালায়, দেশ ও তার নাগরিকদের শান্তি ও সুরক্ষার জন্য তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়াই একমাত্র পথ।” কেন বাকি ১১ অভিযুক্তকে ফাঁসি নয়, যাবজ্জীবন দেওয়ার হল তারও ব্যাখ্যা দেয় আদালত। বলা হয়, এরা মূল চক্রীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। কিন্তু আহমেদাবাদ বিস্ফোরণে তাদের ভূমিকা ফাঁসি দেওয়ার মতো নয়। তাই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় ১১ জনকে।

বিশেষ আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গুজরাট হাই কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল অপরাধীরা। তবে মঙ্গলবার এই রায় ও দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা সমস্ত আপিল খারিজ করে বিশেষ আদালতের নির্দেশই বহাল রাখল গুজরাট হাই কোর্ট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.