Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Gujarat Tantrik

চরণামৃতে মারণ বিষ! ১২ জনকে হত্যায় অভিযুক্ত তান্ত্রিকের মৃত্যু পুলিশ হেফাজতে

সোডিয়াম নাইট্রেটের মতো মারণ বিষ ব্যবহার করে খুন করতেন এই সিরিয়াল কিলার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২৪, ২১:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২৪, ২১:২৫

options
link
চরণামৃতে মারণ বিষ! ১২ জনকে হত্যায় অভিযুক্ত তান্ত্রিকের মৃত্যু পুলিশ হেফাজতে zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চরণামৃতের বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল গুজরাটের এক তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে। এভাবে ১২ জনকে হত্যা করার পর পুলিশের জালে ধরা পড়েন অভিযুক্ত। রবিবার গুজরাট পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু হল তাঁর। রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের সরখেজ এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩ ডিসেম্বর এক ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল নাভাল সিং চাভদা নামে এক তান্ত্রিককে। তন্ত্র সাধনার নামে লোক ঠকানো ও নরবলির মতো একাধিক অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় এভাবে ১২টি খুন করেছে সে। এই সিরিয়াল কিলারের খুনের পদ্ধতিও ছিল অভিনব। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শিবম বর্মা জানান, শিকার বেছে নিয়ে জলের সঙ্গে সোডিয়াম নাইট্রাইট নামের বিষাক্ত রাসায়নিক মিশিয়ে খাওয়াতেন ওই তান্ত্রিক। মারণ এই বিষ শরীরে যাওয়ার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ত শিকার। তার পর সেই মৃতদেহ তন্ত্র সাধনার কাজে ব্যবহার করত অভিযুক্ত।

Advertisement

পুলিশের দাবি এভাবে আহমাদাবাদের একজন, সুরেন্দ্র নগরের ছয় জন, রাজকোটে তিন জন-সহ আরও ২ জনকে হত্যা করেন ওই তান্ত্রিক। খুনের জন্য সুরেন্দ্রনগরের এক পরীক্ষাগার থেকে সোডিয়াম নাইট্রেট কিনত অভিযুক্ত। এই রাসায়নিক মূলত ড্রাই ক্লিনিকের জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে মানুষের শরীরে এটি কোনওভাবে চলে গেলে ২০ মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হয়। গত ৩ ডিসেম্বর এভাবেই একজনকে খুন করার ছক কষেন ওই তান্ত্রিক যদিও তা সফল হওয়ার আগেই পুলিশ গ্রেপ্তার করে তাঁকে।

অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতে তোলা হলে তাঁকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। তবে রবিবার সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন নাভাল। তড়িঘড়ি অ্যাম্বুল্যান্স ডেকে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও হাসপাতালে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। আপাতত এই ১২টি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ওই তান্ত্রিকের সঙ্গে এই কাণ্ডে আর কেউ জড়িত রয়েছেন কিনা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.