Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Anil Chauhan

পাক হামলায় ধ্বংস হয়েছিল ভারতীয় যুদ্ধবিমান! সংখ্যা এড়িয়ে ‘ত্রুটি’ খোঁজায় জোর সেনা সর্বাধিনায়কের

ক্ষতি যে হয়েছে তা স্বীকার করে নিলেন সেনা সর্বাধিনায়ক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৫, ১৭:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৫, ১৭:৪৯

options
link
পাক হামলায় ধ্বংস হয়েছিল ভারতীয় যুদ্ধবিমান! সংখ্যা এড়িয়ে ‘ত্রুটি’ খোঁজায় জোর সেনা সর্বাধিনায়কের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের হামলায় যুদ্ধবিমান খুইয়েছিল ভারত? পাক দাবি নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই অবশেষে এই ইস্যুতে মুখ খুললেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বা সিডিএস অনিল চৌহান। সরাসরি এই ইস্যুতে কথা না বললেও, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ক্ষতি যে হয়েছে তা স্বীকার করে নিলেন তিনি।

পাকিস্তানের দাবি ছিল, অপারেশন সিঁদুরের পালটা রাফালে-সহ ভারতের ৬টি যুদ্ধবিমান ভেঙেছে তারা। সেই দাবি নিয়ে, দেশের অন্দরে বিতর্ক মাথাচাড়া দিলে সরাসরি এই ইস্যুতে কোনও মন্তব্য করা হয়নি ভারতের তরফে। যদিও সেনার তরফে জানানো হয়েছিল, ক্ষয়ক্ষতি যুদ্ধের অঙ্গ। সেই ডামাডোলের মাঝেই শনিবার সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই একই প্রশ্নের মুখে পড়েন সেনা সর্বাধিনায়ক। ভারত কী যুদ্ধবিমান খুইয়েছে? এই প্রশ্নের মুখে হ্যাঁ বা না কিছুই বলেননি তিনি। বরং জানান, ”যুদ্ধবিমান ধ্বংসটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কেন সেটা ধ্বংস হল, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।”

Advertisement

যদিও প্রশ্নকর্তা আরও জোর দিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন, “তার অর্থ কী একটি যুদ্ধবিমান পাক হামলায় খুইয়েছিল ভারত?” এর উত্তরে সংক্ষেপে ‘হ্যাঁ বললেও, একইসঙ্গে তিনি বলেন, “যেটা ইতিবাচক দিক তা হল আমরা আমাদের কৌশলগত ভুলটা তখনই বুঝেছি এবং ভুল শুধরে দুদিন পর আবার সেই কৌশল প্রয়োগ করেছি। আমরা সমস্ত যুদ্ধবিমান উড়িয়েছি এবং দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করে তা গুঁড়িয়ে দিয়েছি।” পাকিস্তানের তরফে ৬টি বিমান ধ্বংসের দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে অনিল বলেন, “বিমান ধ্বংসের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয়। কেন তা হল, এবং তারপর আমরা কী করলাম সেটা গুরুত্বপূর্ণ।”

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ২৬ জনের। সেই মৃত্যুর বদলা নিতে ৭ মে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘরে হামলা চালায় ভারত। এই অপারেশনের নাম দেওয়া হয় অপারেশন সিঁদুর। যার জেরে দুই দেশের সামরিক উত্তেজনা চরম আকার নেয়। পাক সীমান্তবর্তী রাজ্য জম্মু-কাশ্মীর, থেকে গুজরাট পর্যন্ত ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় পাকিস্তান। যদিও তাদের সে হামলা রুখে দেয় ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এরপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের ১১টি বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায় ভারত, চাপের মুখে পড়ে ভারতের কাছে সংঘর্ষবিরতির প্রস্তাব পাঠায় পাকিস্তান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.