Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

শপথ নিলেন কুমারস্বামী, দেশের স্বার্থে আঞ্চলিক দলগুলিকে এক হওয়ার ডাক মমতার

বিরোধী জোটের প্রদর্শন কুমারস্বামীর শপথ মঞ্চে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০১৮, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০১৮, ১৭:১৬

options
link
শপথ নিলেন কুমারস্বামী, দেশের স্বার্থে আঞ্চলিক দলগুলিকে এক হওয়ার ডাক মমতার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে নাটকের তৃতীয় অঙ্ক। কর্ণাটকে শপথ নিলেন কুমারস্বামী। মসনদ ছিনিয়ে নেওয়ার হাজার চেষ্টা করেও ব্যর্থ বিজেপি। ফলে আজ ঢালাও সমর্থন বিজেপি বিরোধী মানুষের। শয়ে শয়ে কংগ্রেস ও জেডিএস সমর্থকরা হাজির হয়ে ভরিয়ে তুললেন কুমারস্বামীর শপথ পর্ব। সেই সঙ্গে দেখা দিল বিজেপি বিরোধী ঐক্যও। উপস্থিত সনিয়া ও রাহুল। মঞ্চে ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়াও। আঞ্চলিক দলের জোটের বার্তা দিয়ে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মায়াবতী, অখিলেশ যাদব, শরদ পাওয়ার-সহ একাধিক নেতারা।

 তুতিকোরিন ইস্যুতে কারখানা সম্প্রসারণে স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের, রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের ]

Advertisement

একের বিরুদ্ধে এক। এই তত্ত্বেই বিজেপিকে ঘায়েল করার ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কুমারস্বামীর শপথ অনুষ্ঠান থেকে আরও একবার আঞ্চলিক রাজনৈতিক জোটগুলির পক্ষে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, আঞ্চলিক দলগুলির জোটই ভবিষ্যতের মূল নির্ণায়ক শক্তি। বস্তুত, এদিনের অনুষ্ঠান যেন বিজেপি বিরোধী জোটেরই মঞ্চ হয়ে উঠল। যে ফেডারেল ফ্রন্টের কথা বারবার বলে থাকেন মমতা, তার একটা রূপরেখা পাওয়া গেল এদিনের অনুষ্ঠানে। কর্ণাটকের মসনদ থেকে কংগ্রেসকে হটাতে একরকম এককাট্টা ছিল বিজেপি। ইয়েদুরাপ্পাকে সরকার গঠনের জন্য ডাকও পাঠান রাজ্যপাল বাজুভাই ভালা। তবু শেষরক্ষা হয়নি। শেষ বাজি জেতে কংগ্রেস-জেডিএস জোটই। মোদির সেনাপতিকে প্রায় হতচকিত করেই আদালতের ফরমানে সরকার গঠন করে জোট। আজ তারই শপথ পর্ব। ফলে প্রমাণিত হয়েছে আঞ্চলিক দলগুলির জোটের যে কথা মমতা বরাবর বলে এসেছেন তা কার্যকরী। এবং এই সমীকরণেই বিজেপিকে রোখা সম্ভব।

এদিন শপথের আগে মমতা বলেন, ভবিষ্যতে আঞ্চলিক দলগুলিই মূল নির্ণায়ক শক্তি হয়ে উঠবে। যেভাবে এখানে মূল শক্তি হয়ে উঠেছে জেডিএস।  কংগ্রেসের জোট প্রসঙ্গে এদিন মমতা জানান, শতাব্দীপ্রাচীন দলটি যদি চায় তবে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট করতেই পারে। জানা যাচ্ছে কর্ণাটক সরকারের ২২টি দপ্তর পাচ্ছে কংগ্রেস, ১২টি জেডিএস। জোট রাজনীতিতে যা দস্তুর। কিন্তু মূল বিষয় হল, বিজেপি অনেক চেয়েও এখানে শেষমেশ দাঁত ফোটাতে পারেনি। সেদিকেই ইঙ্গিত মমতার। এর আগেও তিনি বারবার এই জোটের পক্ষে কথা বলেছেন। জানিয়েছেন, যেখানে আঞ্চলিক দলগুলি শক্তিশালী সেখানে তাদের লড়াই করার জায়গা ছাড়তে হবে। অন্যদের সমর্থন করতে হবে। এই মন্ত্রেই বিজেপির জয়রথ আটকানো যাবে। কর্ণাটকে কার্যত তাই-ই হয়েছে। তাই এদিন মমতার মন্তব্য, দেশের স্বার্থে এভাবেই আঞ্চলিক দলগুলিকে একজোট হতে হবে।

[  সরকার চাইলেই ২৫ টাকা পর্যন্ত কমাতে পারে পেট্রলের দাম, দাবি চিদম্বরমের ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.