Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
PM Modi

‘তুরস্ক থেকে আপেল আমদানি বন্ধ করুন’, মোদির কাছে আর্জি হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রীর

পাক বন্ধু বিশ্বাসঘাতক তুরস্ককে শিক্ষা দিতে একযোগে সরব হয়েছে গোটা দেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৫, ১৭:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৫, ১৭:৪৪

options
link
‘তুরস্ক থেকে আপেল আমদানি বন্ধ করুন’, মোদির কাছে আর্জি হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাক বন্ধু বিশ্বাসঘাতক তুরস্ককে শিক্ষা দিতে একযোগে সরব হয়েছে গোটা দেশ। দাবি উঠেছে তুরস্কের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির। এই আবহেই নীতি আয়োগের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তুরস্কের আপেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারির আর্জি জানালেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু!

সম্প্রতি দিল্লিতে আয়োজিত হয়েছিল নীতি আয়োগের দশম কাউন্সিল বৈঠক। দেশের ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ৩১টি অংশ নেয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে বিকশিত ভারতের রোড ম্যাপ তুলে ধরা হয় প্রধানমন্ত্রীর তরফে। বৈঠকে উঠে আসে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা ও তার পরবর্তী অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের কথা। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও লেফটেন্যান্ট গভর্নররা নিজ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সমস্যার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। সেখানেই তুরস্ক থেকে আপেল আমদানি বন্ধ করার আর্জি জানালেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রীর কাছে হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেন, তুরস্ক ও আজারবাইজান থেকে আপেল আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। ব্যবসায়িক স্বার্থে এই পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়ে সুখবিন্দর বলেন, “আমদানি করা আপেলের দাম কম হওয়ার কারণে আমাদের রাজ্যের চাষিরা বড়সড় আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছেন। ফলে তুরস্ক ও আজারবাইজান থেকে আপেল আমদানি বন্ধ করলে এখানকার চাষিরা উপকৃত হবেন।” মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রস্তাব গুরুত্ব সহকারে ভেবে দেখা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

উল্লেখ্য, ভারত-পাক সংঘাতের আবহে পাকিস্তানকে সরাসরি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল তুরস্ক। ভারতের মাটিতে এই হামলা চালাতে পাকিস্তানকে সাহায্যের জন্য সেনা আধিকারিকদেরও পাঠানো হয় তুরস্কের তরফে। এহেন বিশ্বাসঘাতকতার তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর দেশের অন্দরে তুরস্ক বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তুরস্কের উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি করার চাপ ক্রমশ বাড়ছে মোদি সরকারের উপর। ‘বয়কট তুরস্ক’ প্রচারের জেরে দেশের পর্যটকদের তরফে তুরস্ক ও আজারবাইজানের বুকিং কমেছে প্রায় ৬০ শতাংশ। শুধু তাই নয়, ট্যুর বাতিলের সংখ্যাও বেড়েছে ২৫০ শতাংশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.