Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Himanta Biswa Sarma

‘মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে’, চাপে পড়ে ‘বাঙালি’ মন্তব্যে ঢোঁক গিললেন হিমন্ত

তিনি বলছেন, তাঁর সরকার যে বাংলা ভাষার বিরোধী নয়, অসমে বসবাসকারী বাংলাভাষীরাও সেটা জানেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৫, ১৭:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৫, ১৭:৪৮

options
link
‘মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে’, চাপে পড়ে ‘বাঙালি’ মন্তব্যে ঢোঁক গিললেন হিমন্ত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করে ‘বাঙালি বিরোধী’ হিসাবে দেখানো হচ্ছে। চাপে পড়ে নিজের ‘বাংলাভাষী’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলছেন, তাঁর সরকার যে বাংলা ভাষার বিরোধী নয়, অসমে বসবাসকারী বাংলাভাষীরাও সেটা জানেন।

‘বাংলা যাঁদের মাতৃভাষা, তাঁরা নিজেদের বিদেশি হিসাবেই পরিচয় দিচ্ছেন।’ দিন কয়েক আগে সংবাদমাধ্যমে এমনটাই বলেছিলেন হিমন্ত। সম্প্রতি অসমের এক সংখ্যালঘু নেতা সে রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিমদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়েছেন, আসন্ন জাতিগত জনগণনায় তাঁরা যেন নিজেদের মাতৃভাষা হিসাবে ‘অসমীয়া’কে না বেছে নিয়ে বাংলাকে বেছে নেয়। তাতে করে অসমীয়ারাই অসমে সংখ্যালঘু হয়ে যাবেন। ওই সংখ্যালঘু নেতার মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। তিনি বলেন, “অসমে অসমীয়াই স্থায়ী। এটাই সরকারি ভাষা, এটাই রাজ্য ভাষা। কিন্তু কেউ যদি বাংলাকে নিজেদের মাতৃভাষা হিসাবে দেখায়, তাহলে শুধু এটাই বোঝা যাবে যে রাজ্যে কতজন বিদেশি রয়েছে।” স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে যায়, তাহলে কি বাংলাভাষী মানেই তাঁদের বিদেশি হিসাবে দেগে দিতে চাইছেন হিমন্ত?

Advertisement

অসমের মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, “এই বিদ্বেষের উৎস কোথায়? কেন এত ঘৃণা বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি? শুধুমাত্র এই কারণে কি, যে বাংলার মানুষ বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করে অপমানিত করেছে?” হুঁশিয়ারির সুরে রাজ্যের শাসকদল বলে দেয়, “ঘৃণা, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং বহিরাগত বিদ্বেষ ছড়িয়ে যদি বাংলাকে দখল করতে চাও, তবে আমাদের করুণা রইল তোমাদের জন্য। বাংলার মানুষ এবার আরও বেশি জনসমর্থন নিয়ে বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করবে।”

তৃণমূলের আক্রমণে রীতিমতো চাপে পড়েন হিমন্ত। তাঁর মন্তব্যে যে বাংলায় দলের ক্ষতি হতে পারে, সম্ভবত সেটাও বুঝতে পারেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সেকারণেই সুনীল বনসল এবং শুভেন্দু অধিকারীকে ট্যাগ করে সোশাল মিডিয়ায় নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন হিমন্ত। তিনি বললেন, “অসম কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তৃণমূল যেভাবে আমার মন্তব্য বিকৃত করে আমাকে বাংলা বিরোধী হিসাবে দেখানোর চেষ্টা করছে সেটা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করার চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়। এই অনুপ্রবেশকারীদের উপস্থিতি দেশের জনসংখ্যার কাঠামোকে বদলে ফেলতে পারে।” হিমন্তর দাবি, অসমে বসবাসকারী বাংলাভাষী-সহ প্রত্যেক ভারতীয় তাঁর সরকারের অবস্থান বোঝেন। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে অসম সরকারের অবস্থানকে তাঁরা সমর্থনও করেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.