Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Amit Shah

‘হিন্দির প্রসারে অনন্য ভূমিকা ছিল নেতাজির’, মাতৃভাষা মাথায় রেখে হিন্দি শেখার পরামর্শ শাহের

শাহ বলেন, "আমার মাতৃভাষা গুজরাটি। কিন্তু আমি যখনই দেশের যে প্রান্তেই যাই, হিন্দি ভাষাই হয়ে ওঠে আমার যোগাযোগের মাধ্যম।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১৫:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১৫:৩৩

options
link
‘হিন্দির প্রসারে অনন্য ভূমিকা ছিল নেতাজির’, মাতৃভাষা মাথায় রেখে হিন্দি শেখার পরামর্শ শাহের zoom
হিন্দি দিবসে নেতাজির প্রসঙ্গ টানলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
Advertisement

হিন্দি ভাষা দিবসে ভারচুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রসঙ্গ টেনে আনলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানালেন, ‘হিন্দি ভাষার প্রসারে অনন্য ভূমিকা ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর। বাঙালি হওয়া সত্ত্বেও এই ভাষার প্রচার করেছেন তিনি।’ শাহের দাবি, ‘হিন্দি ভাষা অন্য কোনও ভাষার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়।’ পাশাপাশি দেশের যুবসমাজের প্রতি তাঁর বার্তা, ‘মাতৃভাষা অবশ্যই সবার উপরে। কিন্তু তারপরও আমাদের অন্যান্য ভাষা শেখা উচিত।’

এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, “হিন্দি ভাষা অন্য কোনও ভাষার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। ভাষাগত বৈচিত্রই ভারতের প্রধান শক্তি। প্রতিটি ভাষার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। আমাদের যুব সমাজকে যত বেশি সম্ভব ভাষা শিখতে হবে। তবে মাতৃভাষাকে কোনওভাবেই ত্যাগ করা যাবে না। নিজের ভাষায় কথা বলার জন্য কারও হীনমন্যতা থাকা উচিত নয়। কারণ ভাষাই মানুষকে তাঁর মা, মাটি, ইতিহাস এবং সংস্কৃতির সঙ্গে সংযুক্ত করে।” এরপরই হিন্দি ভাষার প্রচারে অ-হিন্দি ব্যক্তিত্বদের অবদানের কথা তুলে ধরেন শাহ। তুলে ধরেন, স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী, মহাত্মা গান্ধী এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর কথা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শাহের দাবি, ‘হিন্দি ভাষা অন্য কোনও ভাষার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। মাতৃভাষা অবশ্যই সবার উপরে। কিন্তু তারপরও আমাদের অন্যান্য ভাষা শেখা উচিত।’

অমিত শাহ বলেন, “স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর মাতৃভাষা ছিল গুজরাটি। তারপরও হিন্দু ধর্ম প্রচারে ‘সত্যার্থ প্রকাশ’ বইটি হিন্দিতে রচনা করেন। মহাত্মা গান্ধী ১৯১৮ দক্ষিণ ভারতের মাদ্রাজে হিন্দি প্রচার সভার প্রতিষ্ঠা করেন।” পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন বাঙালি। ভিন দেশের মাটিতে তিনি গঠন করেছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। সেখানে হিন্দি ভাষাই ছিল তাঁর যোগাযোগের ভাষা। সুভাষই আমাদের দেশকে ‘জয় হিন্দ’ স্লোগান।” শাহ আরও বলেন, “স্বাধীনতার পর ভারতীয় ভাষাগুলিই জাতি গঠন, প্রশাসন এবং উন্নয়নের বার্তা নিয়ে পৌঁছেছিল সাধারণ মানুষের কাছে। হিন্দি-সহ সকল ভারতীয় ভাষা গণজাগরণ, জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতার আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।”

হিন্দি ভাষার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নিজের প্রসঙ্গ টেনে শাহ বলেন, “আমার মাতৃভাষা গুজরাটি। কিন্তু আমি যখনই দেশের যে প্রান্তেই যাই, হিন্দি ভাষাই হয়ে ওঠে আমার যোগাযোগের মাধ্যম।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা তুলে ধরে শাহ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লালকেল্লা থেকে নিজের ভাষণে ঔপনিবেশিক মানসিকতার দাসত্ব থেকে মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। এই মুক্তি অর্জনে ভাষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.