Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬

কাশ্মীর পুলিশের থেকে লুট করা অস্ত্রের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিল হিজবুল

প্রশ্নের মুখে উপত্যকার নিরাপত্তা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০১৮, ১৭:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০১৮, ১৭:৩৭

options
link
কাশ্মীর পুলিশের থেকে লুট করা অস্ত্রের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিল হিজবুল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদী দমনের যতই চেষ্টা হোক, লক্ষ্যসাধন এখনও শত হস্ত দূরে। ফের একবার তা প্রমাণ হয়ে গেল। জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশের থেকে সম্প্রতি অস্ত্র লুট করেছে হিজবুল মুজাহিদিনের জঙ্গিরা। সেই অস্ত্রের ছবিও তারা প্রকাশ করেছে ফেসবুকে। প্রতিটিই পুলিশের সার্ভিস রাইফেল। রিপোর্টে প্রকাশ, ফেসবুকে “হামজা হিজবি” অ্যাকাউন্ট থেকে অস্ত্রগুলির ছবি পোস্ট করেছে হিজবুল।

hizbi

Advertisement

মঙ্গলবার এই অস্ত্রগুলি লুট করে হিজবুল মুজাহিদিনের জঙ্গিরা। সেদিন বিকেলে শ্রীনগরের একটি হোটেলের গার্ড পোস্টে হামলা করে তারা। নিরাপত্তাকর্মীদের অস্ত্র লুট করে নেয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার কোনও প্রত্যক্ষদর্শী নেই। তবে ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’জন পুলিশকে আটক করা হয়েছে। তারা জম্মু ও কাশ্মীর আর্মড পুলিশের কর্মী।

[ সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়, তবু কেন প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন কেজরিওয়াল? ]

১৯ মে কাশ্মীর উপত্যকায় যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। তার আগে এমন একটি ঘটনা উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তার উপর শুক্রবার জম্মু ও কাশ্মীরের আরএস পুরা সেক্টরে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গুলি চালায় পাকিস্তান। ঘটনায় এক বিএসএফ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। দুই নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও খবর। ঘটনার পর ভারত ও পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমার তিন কিলোমিটার পর্যন্ত স্কুলগুলি বন্ধ রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকারই স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এবছর এপ্রিল পর্যন্ত সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে ৬৫০টি। ঘটনায় যেমন ভারতীয় সেনার জওয়ান ও পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন ও শহিদ হয়েছেন, তেমনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাধারণ নাগরিক।

[ বিশুদ্ধ জল পেতে নয়া উদ্যোগ রেলের, ট্রেনের কামরায় বসছে ওয়াটার পিউরিফায়ার ]

পাকিস্তান যে চেষ্টার কোনও কসুর করছে না, গতমাসেই তা জানা গিয়েছিল। পাকিস্তানের একটি সংবাদপত্র জানায়, পাক সরকার ২০১৮-১৯ সালে মহাকাশ সম্পর্কিত কোনও পরিকল্পনা করতে চলেছে। এর জন্য খরচ পড়বে প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা। ভারতের উপর নজর রাখার জন্যই এই স্পেস প্রোগ্রাম আনতে চলেছে পাকিস্তান।

তবে পিছিয়ে নেই ভারতও। পাকিস্তানের দিকে নজর রাখার জন্য উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্র আনা হয়েছে। বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ এটি ইতিমধ্যেই বসিয়ে দিযেছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যুগুলি নজরে রাখার জন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় সেনা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.