মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে স্বামীকে হত্যা করেছিলেন! সেই সোনম রঘুবংশীকে জেল হেফাজতে পাঠাতে চাইল না সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার সোনমের জামিন বাতিলের আবেদন জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় মেঘালয় সরকার। কিন্তু সোনমের জামিন বাতিল করেনি সুপ্রিম কোর্ট। উল্লেখ্য, প্রায় একবছর পর জেলে বন্দি ছিলেন সোনম। মাসতিনেক আগে জামিনে জেলমুক্ত হন।
গতবছর দেশজুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল হানিমুন মার্ডার। মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমা করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন রাজা এবং সোনম। নিখোঁজ হওয়ার দশ দিন পরে ২ জুন চেরাপুঞ্জির জলপ্রপাতের ধার থেকে রাজার দেহ উদ্ধার করা হয়। বেশ কয়েকদিন পর উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোনমকে। এছাড়া তাঁর প্রেমিক রাজ কুশওয়াহা এবং কয়েক জন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই মামলায় গত ডিসেম্বরে আদলতে ৭০০ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছিল মেঘালয় পুলিশ।
আরও পড়ুন:
চার্জশিটে বলা হয়েছে, রাজার সঙ্গে মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার আগেই নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস একটি কালো ট্রলিব্যাগে ভরে প্রেমিক রাজকে দিয়ে গিয়েছিলেন সোনম। মেঘালয় পুলিশের দাবি, এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে, স্বামীকে মেঘালয়ে খুন করার পর রাজের সঙ্গে সংসার গড়ার পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন সোনম। সেই মতোই রাজাকে খুন করতে পরিকল্পনামাফিক তিন বন্ধু রোহিত চৌহান, আনন্দ কুর্মি এবং আকাশ সিং রাজপুতকে আগেই মেঘালয়ে পাঠিয়েছিলেন রাজ।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে শিলংয়ের জেলে বন্দি ছিলেন সোনম। এপ্রিল মাসে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে শিলংয়ের আদালত। সেই রায় মেঘালয় হাই কোর্টেও বহাল থাকে। জামিনের বিরোধিতা করল না সুপ্রিম কোর্টও। এদিন শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন সোনম। আপাতত তদন্তের গতির দিকে নজর রাখবে সুপ্রিম কোর্ট। নোটিস পাঠানো হবে সোনমকেও। জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তারির প্রক্রিয়া যথাযথ না থাকার কারণেই মঞ্জুর হয়েছে সোনমের জামিনের আর্জি। তবে এই নিয়ে শুনানি চলবে সুপ্রিম কোর্টে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
প্রস্রাবে রক্ত? ছোটখাটো রোগ ভেবে অবহেলা নয়, চুপিসারে বাড়তে পারে কিডনি ক্যানসার!
-
ভারত থেকে বিপুল আয় ট্রাম্পের সংস্থার, গুরুগ্রাম যেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের টাকার খনি!
-
শুরুতেই ডার্বি, ঘোষিত ডুরান্ডের পূর্ণাঙ্গ সূচি, মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের বাকি ম্যাচ কবে-কোথায়?
-
মেসিকে চিঠি লিখে আজ মাঠে আট বছরের খুদে সমর্থক, কীভাবে হল স্বপ্নপূরণ?
-
নাগরিকদের ‘দাস’ বানানোর চেষ্টা! সরকার বিরোধিতার জন্য নির্বাসিত করা অগণতান্ত্রিক, বলছে বম্বে হাই কোর্ট