Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

হিন্দুকে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা মুসলিম যুবতীকে পুড়িয়ে মারল পরিবার

কোন সম্মান রক্ষার জন্য এই নৃশংসতা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০১৭, ০৮:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০১৭, ০৮:৪৬

options
link
হিন্দুকে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা মুসলিম যুবতীকে পুড়িয়ে মারল পরিবার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দু ঘরের ছেলেকে ভালবাসাই কাল হল। প্রেম করে হিন্দু যুবককে বিয়ে করায় ২১ বছরের অন্তঃসত্ত্বা যুবতীকে পুড়িয়ে মারল তাঁর পরিবার। কর্নাটকের বিজাপুর জেলার গুন্ডানাকালা এলাকার এই মর্মানিত্ক ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বানু বেগম। গুরুতর আহত তাঁর স্বামী সায়াবন্না শরনাপ্পা কোন্নুরও।

[এ কেমন ইউনিফর্ম? ছাত্রীদের পোশাক ঘিরে বিতর্ক নেটদুনিয়ায়]

Advertisement

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার এক দলিত পরিবারের ছেলে সায়াবান্না। প্রতিবেশী বানুর সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হতে বেশি সময় লাগেনি। বানু ও সায়াবান্না, দু’জনের পরিবারের পক্ষ থেকে এই সম্পর্কে তীব্র অসন্তোষ জানানো হয়। এমনকী, বানুকে নাবালিকা বলে দাবি করে পকসো আইনের ভিত্তিতে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে অভিযোগও দায়ের করেছিল তাঁর পরিবার। কিন্তু সে মামলা অল্প সময়ের মধ্যেই খারিজ হয়ে যায়। পরে বানু ও সায়াবান্না গোয়ায় পালিয়ে গিয়ে বিয়েও করে ফেলেন। কিন্তু বানুর বাপেরবাড়ির লোকজন কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি  এই বিয়ে।

[শিশুকে ছুড়ে ফেলে চলন্ত অটোয় গণধর্ষণ মহিলাকে]

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কর্নাটকের মুন্ডেবিহাল এলাকার সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে গিয়ে রেজিস্ট্রিও করেন দু’জনে। জুন মাসের তিন তারিখ গ্রামে ফেরেন বানু ও সায়াবান্না। অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, সন্তানের আসার সুখবর শুনে বাড়ির লোকেরা হয়তো সব ভুলে মেনে নেবেন তাঁদের সম্পর্ক। কিন্তু গ্রামে আসা মাত্রই সায়াবান্নার উপর হামলা করে বানুর পরিবার। কোনওমতে নিজেকে বাঁচিয়ে তালিকোটে পুলিশ স্টেশনে পৌঁছে অভিযোগ জানান ২৪ বছরের যুবক। বলেন বানুকে আটকে রাখা হয়েছে। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিন্তু ততক্ষণে বানুকে নির্মমভাবে খুন করে তারই পরিবার। অন্তঃসত্ত্বা বধূকে প্রথমে কোপানো হয়েছে। তারপর তাঁর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

সায়াবান্নার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বানুর মা, তাঁর বোন, বোনের স্বামী ও ভাইকে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক বানুর আরও দুই বোন।

[মহম্মদ কখনও গোমাংস খাননি, দাবি আরএসএস নেতার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.