Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

এমআরপি-র থেকে বেশি দামে জলের বোতল বিক্রিতে অনুমতি হোটেল-রেস্তরাঁয়  

অনুমতি মিলল দেশের সর্বোচ্চ আদালতের থেকেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৬:৩০

options
link
এমআরপি-র থেকে বেশি দামে জলের বোতল বিক্রিতে অনুমতি হোটেল-রেস্তরাঁয়   zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এমআরপি-র থেকে বেশি দামে কি জলের বোতল বিক্রি করতে পারে হোটেল-রেস্তরাঁ? সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনার নিরিখে এ প্রশ্ন বারবার উঠে এসেছে। সম্প্রতি এ ব্যাপারে নিজের মত জানাল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মতে, কোনও রেস্তরাঁ যদি তা করে থাকে তবে তা দোষের কিছু নয়। অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না।

 [ আপনি কি গোপনে খ্রিস্টান? প্রশ্নের মুখে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী ]

Advertisement

আদালতের পর্যবেক্ষণ, রেস্তরাঁ বা হোটেলে কেউ শুধু জলের বোতাল কিনতে আসে না। সেটা হোটেল পরিষেবারই অঙ্গ। ফলত সেক্ষেত্রে এমআরপি-র থেকে বেশি দাম নেওয়া অনুমোদনযোগ্য, মত সর্বোচ্চ আদালতের এক বেঞ্চের। আইন মোতাবেক, এমআরপি-র থেকে বেশি দামে কেউ জলের বোতল বিক্রি করলে তাঁর মোটা অঙ্কের জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি জেল হওয়ারও সম্ভাবনা আছে। এই আইনের আওতায় হোটেল ও রেস্তরাঁগুলি পড়ে যাওয়ায় বিপদের আশঙ্কা দেখছিলেন মালিকরা। হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ইন্ডিয়ার তরফে এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতে চলা শুনানিতেই এই পর্যবেক্ষণ আদালতের। হোটেল ও রেস্তরাঁ মালিকরা জানায়, তারা শুধু জলের বোতল বিক্রি করে না। ক্রেতাদের হাতে পরিষেবা তুলে দেয়। স্থান থেকে পরিবেশ সবটাই এর মধ্যে পড়ে। একমত হয় আদালতও। শুধু জলের বোতল বিক্রি করা হোটেল বা রেস্তরাঁগুলির উদ্দেশ্য নয়। তারা যে পরিষেবা বিক্রি করে, সেই প্যাকেজের মধ্যে এটি আসতে পারে। ফলে তার মূল্য যদি খানিকটা বাড়ে তবে তা অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে না। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, চালু আইনের আওতায় তাই হোটেল ও রেস্তরাঁগুলিকে ফেলা যাবে না।

তিন তালাকে আপত্তি, স্ত্রীর নগ্ন ছবি নেটদুনিয়ায় ছড়ানোর হুমকি ]

অন্যদিকে সরকার সর্বোচ্চ আদালতের সঙ্গে সহমত নয়। উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ান মাসকয়েক আগে জানিয়েছিলেন, কোনও বেসরকারি সংস্থাই দু’রকম এমআরপিতে পণ্য বিক্রি করতে পারবে না। একই পণ্যের দু’রকম এমআরপি হওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন মোতাবেক, যে কোনও প্যাকেটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের বেশি কখনওই ধার্য করা যেতে পারে না। দোষী সাব্যস্ত হলে পঁচিশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা ও কারাদণ্ডও হতে পারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও হোটেলগুলি প্যাকেটজাত পণ্যের ক্ষেত্রে বেশি দাম নিয়ে থাকে। এই নিয়েই মামলা গড়ায় আদালতে। সরকার এ ব্যাপারে আদালতে হলফনামাও জমা দিয়েছিল। সরকারের মত, এই নিয়ম চালু থাকলে কর প্রদান ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে বড় সমস্যা দেখা দেবে। যেহেতু একই পণ্যের দু’রকম দাম হচ্ছে, তাই সমস্যা আরও বাড়বে। কিন্তু হোটেল মালিকদের যুক্তি, এটাকে শুধু পণ্য হিসেবে পরিগণিত করাই উচিত নয়। যে পরিষেবা তারা দেয়, এটা তারই অঙ্গ। এই যুক্তিতেই সহমত হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। ফলে রেস্তরাঁ বা হোটেলগুলি নির্ধারিত মূল্যের বেশি দাম নিতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে কোনও সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। ফলে এতে বিভ্রান্তি খানিকটা বাড়বে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার আধার কি অন্য কেউ ব্যবহার করছে? ধরে ফেলুন নিজেই ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.