সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজের এজলাসে বসে ‘গরুর রচনা’ শোনালেন গুজরাটের (Gujarat Court) এক আদালতের বিচারক। দাবি করলেন, বিশ্বের যাবতীয় যা সমস্যা আছে সব বন্ধ মিটে যাবে, যদি ভূপৃষ্ঠে গরুর রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরও দেশে গোহত্যা বা গরুপাচার হয়, এগুলিকে লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন ওই বিচারক।
ওই মন্তব্যগুলি করেছেন, গুজরাটের তাপি জেলা নগর দায়রা আদালতের (Tapi Sessions Court) বিচারক সমীর ভ্যাস। গোহত্যা এবং গরুপাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় রায় দিতে গিয়ে তিনি বলেন,”বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে গোবর বা ঘুটে দিয়ে তৈরি বাড়িতে তেজস্ক্রিয় বিকিরণেরও কোনও প্রভাব পড়ে না।” গত বছর নভেম্বরে এই রায়টি দিয়েছিলেন সমীর ভ্যাস। গুজরাট থেকে মহারাষ্ট্রে (Maharastra) গরু পাচারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেন ওই বিচারক। সদ্যই সেই রায়টি আদালতের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: SSC Scam: কুন্তলরাই তৃণমূলের সম্পদ! ফের দিলীপ ঘোষের নিশানায় শাসকদল]
সেই রায়ে বলা হয়েছে, গরু আর পাঁচটা সাধারণ পশুর মতো পশু নয়। গরু আমাদের মা। যেদিন এই পৃথিবীর বুকে আর কোনও গরুর রক্তপাত হবে না, সেদিন বিশ্বের সব সমস্যা মিটে যাবে। আমরা মুখে যতই গোরক্ষার কথা বলি, বাস্তবের মাটিতে সেটা হয় না। আজও গোহত্যা এবং গরু পাচার হচ্ছে নিয়মিত। এটা শিক্ষিত সমাজের জন্য লজ্জার। বিচারক সরাসরি বলছেন, গরু একটা ধর্মের প্রতীক। বস্তুত গরু থেকেই ধর্মের জন্ম।
[আরও পড়ুন: সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি কর্তব্য পথের শ্রমিকরা, আমন্ত্রণ সেন্ট্রাল ভিস্তার কর্মীদেরও]
এরপর আবার আলাদা করে গোমূত্রের প্রশংসা শোনা গিয়েছে ওই বিচারকের মুখে। তিনি বলেছেন, “গোমূত্র আমাদের বহু বিরল রোগ থেকে বাঁচাতে পারে। গরু (Cow) পালনের ফলে যে খাবার উৎপাদন হয়, সেগুলিও বহু রোগ প্রতিরোধ করে।” গরুর উপকারিতে বোঝাতে এজলাসে সংস্কৃত স্লোকও আওড়েছেন ওই বিচারক। মোদি (Narendra Modi) জমানায় গোরক্ষকদের বাড়াবাড়ি নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। এমনকী গোরক্ষকদের মারে বহু নিরীহ মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। তবে এই বিচারক এখনও গরুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন।
সর্বশেষ খবর
-
আরাবুলের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা! কপাল জোরে প্রাণরক্ষা ভাঙড়ের ‘তাজা’ নেতার
-
ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পতাকাধারী জাহাজ! ২৪ নাবিকের খোঁজে তল্লাশি
-
রাজস্থানের ৬১১ সরকারি স্কুলের নিজস্ব ভবনই নেই! ‘আরশোলা’দের কর্মসূচির মাঝেই প্রকাশ্যে রিপোর্ট
-
তারাপীঠের পর এবার রামপুরহাটের হোটেলে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি, ঘটনাস্থলে দমকল
-
মাত্র তিনদিনেই শেষ কাজ! এসআইআরের মতোই জনগণনাতেও নজির সাঁইথিয়ার শিক্ষকের