২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

অযোধ্যার রায়ের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে দেশ, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 7, 2019 4:26 pm|    Updated: November 7, 2019 4:29 pm

An Images

ফাইল ফোটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্ট রায় দেওয়ার পরেই অশান্তি ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা। তার জেরে যতদিন যাচ্ছে ততই যেন নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে অযোধ্যা ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। গত কয়েকদিন ধরেই কেন্দ্র থেকে উত্তরপ্রদেশ সরকার, সবাই অযোধ্যা মামলার রায়ের জন্য নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি উসকানিমূলক পোস্টের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আরএসএস থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, প্রতিটি হিন্দু সংগঠন তাদের সদস্যদের বিতর্কিত মন্তব্য করতে নিষেধ করেছে। গন্ডগোল লাগানোর চেষ্টা হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হবে বলেও ঘোষণা করেছে প্রশাসন। দেশব্যাপী শান্তি বজায় রাখতে সব রাজ্যের কাছে অ্যাডভাইজারি পাঠানো হয়েছে। অযোধ্যাতেও অতিরিক্ত সেনা পাঠানো হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: ক্রিকেটের টানে ভারতে, হোটেল না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ আফগান ‘দৈত্য’ শের খান]

কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে রাজ্যজুড়ে। রায় পরবর্তী পরিস্থিতিতে অযোধ্যায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে চারটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যাতে একটি ব্যর্থ হলে অন্যটা কাজে লাগানো যায়। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত অযোধ্যায় মোট ১২ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া অযোধ্যা ও সংলগ্ন এলাকার ৭০০টি সরকারি স্কুল, ৫০টি উত্তরপ্রদেশ সরকারের অধীনস্ত স্কুল ও ২৫টি সিবিএসসি স্কুলে নিরাপত্তা রক্ষীদের রাখার ব্যবস্থা করেছে সরকার। গোটা শহরটিকে রেড, ইয়োলো, গ্রিন ও ব্লু জোনে ভাগ করে নিরাপত্তা রক্ষীদের মোতায়েন করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: দল ভাঙাতে পারে বিজেপি, বিধায়কদের হোটেলে রেখে নজরদারি শিব সেনার]

প্রশাসন সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত অযোধ্যায় কার্ফু জারির কোনও পরিকল্পনা নেই করা হবে না। তবে রায় বেরোনোর আগেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি স্তরের কোনও আধিকারিককে শহরের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হবে। কোনওরকম জঙ্গি হানা বা সাম্প্রদায়িক অশান্তির ঘটনা ঘটলে তা কড়া হাতে নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত জমির আশপাশে কোনও জমায়েত করতেও নিষেধ করা হয়েছে। অযোধ্যা সংলগ্ন প্রতিটি গ্রামের খবর রাখতে মোট ১৬০০ গ্রামের ১৬ হাজার যুবককে একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে কোনওরকম অশান্তি বা গন্ডগোল হলেই তার খবর নিমিষে প্রশাসনের কথা পৌঁছে যাবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement