পহেলগাঁওয়ের মতো হামলার আশঙ্কা। একইভাবে সীমান্ত ডিঙিয়ে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের গভীর অরণ্যে ঢুকে পড়েছে পাক মদতপুষ্ট তিন জঙ্গিরা। তাদের নিকেশ করতে বিরাট অভিযান শুরু হয়েছে রাজৌরি জেলার সীমান্তবর্তী ‘গম্ভীর মুঘলান’ জঙ্গল। গত ৫৬ ঘণ্টা ধরে গভীর অরণ্যে ঢুকে অপারেশন চালাচ্ছে সেনা, সিআরপিএফ, স্পেশাল ফোর্স এবং কাশ্মীর পুলিশ। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে ড্রোন উড়িয়ে, হেলকপ্টারেও খোঁজ চলছে জঙ্গিদের।
কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২৪ মে রাত এগারোটা থেকে শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারও তা অব্যাহত রয়েছে। জঙ্গিদের কোণঠাসা করতে একাধিক দিক থেকে জঙ্গলে প্রবেশ করেছে সেনার ‘রোমিও ফোর্স’, স্পেশাল অপারেশন ফোর্স, সিআরপিএফ এবং কাশ্মীরের পুলিশের জওয়ানরা। এছাড়াও আকাশপথে নজরদারি চালাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন। এমনকী সেনার কপ্টার উড়িয়ে খোঁজ চলছে। অভিযানটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন শেরুওয়ালি’।
আরও পড়ুন:
জঙ্গিদের অবস্থান আন্দাজ করতে জঙ্গলের ভিতরে দু’জায়গায় গুলি চালিয়েছে সেনা। যদিও পালটা জবাব দেওয়ার বদলে ঘাপটি মেরে আছে জঙ্গিরা। রাতেও অপারেশন অব্যাহত রাখছে সেনা। যাতে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে জঙ্গল থেকে কোনওভাবে পালিয়ে যেতে না পারে সন্ত্রাসবাদীরা। অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া এক আধিকারিক বলেন, জঙ্গিদের নিকেশ করতে ধীরে ধীরে বিভিন্ন দিক থেকে জঙ্গলের ভিতরে ঢুকছেন জওয়ানরা। সূত্রের খবর, তিন জঙ্গিই পাকিস্তানি নাগরিক। এখনও পর্যন্ত তাঁদের চিহ্নিত করা যায়নি। চার বাহিনীর আধিকারিকরা মনে করছেন, গভীর জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে জঙ্গিরা। সেই কারণেই তাঁদের খতম করতে বেগ পেতে হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে কেন মোহনবাগানে? মুখ খুললেন সায়ন, ডার্বির ভেন্যুও চূড়ান্তের পথে
-
জঙ্গলের অন্তরালে বাংলায় এক টুকরো জনপদ, জনসংখ্যা মাত্র ১৬! গ্রামের ইতিহাস আশ্চর্য করবেই
-
এই সমাজ-সংসারে সর্বত্র গুন্ডামি, দমন করবে কে?
-
ফর্ম নয়, অন্য কারণে বসানো হয়েছে বৈভবকে, চুনকামের পর কী যুক্তি অধিনায়ক শ্রেয়সের?
-
আত্মীয়দের বাবা-মা সাজিয়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আধার কার্ড! তৃণমূল নেতাকে খুঁজছে পুলিশ