Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

‘বাঁদরের মতো দেখতে’, স্বামীর মশকরায় আত্মঘাতী ‘মডেল’ হতে চাওয়া অভিমানী স্ত্রী

খাবার কিনে ফিরে আসার পর ঘরের দরজায় বারবার ধাক্কা দিলেও তনু দরজা খোলেনি। দীর্ঘক্ষণ কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে এরপর জানলা দিয়ে ঘরে উঁকি দিতেই স্তম্ভিত হয়ে যান রাহুল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৯:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৯:০৫

options
link
‘বাঁদরের মতো দেখতে’, স্বামীর মশকরায় আত্মঘাতী ‘মডেল’ হতে চাওয়া অভিমানী স্ত্রী zoom
স্বামীর উপর অভিমানে আত্মঘাতী তনু সিং। ছবি: সোশাল মিডিয়া।

মডেল হতে চেয়েছিলেন স্ত্রী। তাঁর আবদার শুনে মজার ছলেই স্বামী বলেছিলেন ‘বাঁদরের মতো দেখতে’। স্বামীর মুখে এমন মন্তব্য শুনে অভিমানে আত্মঘাতী হলেন ২৩ বছরের যুবতী। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের সাহাদতগঞ্জে। সামান্য ঘটনায় এমন চরম পদক্ষেপে বিস্মিত ওই যুবতীর প্রতিবেশীরাও।

জানা গিয়েছে, চার বছর আগে সাহাদতগঞ্জের লকড়মন্ডি এলাকার বাসিন্দা ২৩ বছরের তনু সিংয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ইন্দিরানগরের বাসিন্দা রাহুল শ্রীবাস্তবের। রাহুল পেশায় অটো চালক। অন্যদিকে, তনুর ইচ্ছে ছিল মডেলিংয়ের দুনিয়ায় পা রাখা। সেই লক্ষ্যে মডেলিংয়ের কোর্সও করছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ওদের মধ্যে এমনিতে কোনও অশান্তি ছিল না, সুখেই সংসার করছিল দু’জন। কিন্তু এক সামান্য ঘটনায় তনু যে এমন চরম পদক্ষেপ নিতে পারে তা ভাবতে পারছেন না কেউই।

Advertisement

জানা গিয়েছে, দুপুর দেড়টা নাগাটও সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। রাহুল, তনুর পাশাপাশি বাড়িতে ছিলেন তনুর বড় বোন ও তাঁর ছেলে। একে অন্যের সঙ্গে খুনসুটির মাঝেই তনুর মডেলিংয়ের প্রসঙ্গ ওঠে। তখন মজার ছলে রাহুল বলে বসেন, তনুকে বাঁদরের মতো দেখতে। স্বামীর এমন মন্তব্যে অপমানিত হন স্ত্রী। আর কোনও কথা নাম বলে চুপচাপ পাশের ঘরে চলে যান। এবং দরজা বন্ধ করে দেন। সামান্য বিষয় ভেবে কথা না বাড়িয়ে এরপর খাবার কিনতে চলে যান রাহুল।

খাবার কিনে ফিরে আসার পর ঘরের দরজায় বারবার ধাক্কা দিলেও তনু দরজা খোলেনি। দীর্ঘক্ষণ কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে এরপর জানলা দিয়ে ঘরে উঁকি দিতেই স্তম্ভিত হয়ে যান রাহুল। দেখেন সিলিং থেকে ঝুলছে তনুর দেহ। দরজা ভেঙে তড়িঘড়ি দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে পুলিশ তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটা আত্মহত্যার ঘটনা বলেই অনুমান। দুজনের মধ্যে কোনওরকম ঝগড়া বা অশান্তি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে প্রতিবেশীদেরও। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.