সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয় স্ত্রী’র সঙ্গে ছক কষে প্রথম স্ত্রীকে খুন! এমনকী প্রমাণ লোপাট করতে নদীর ধারে পুঁতে ফেলা হয় দেহ। এমনই অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের আনন্দপুর থানা এলাকার আমজোড়া গ্রামে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত শিবচরণ দাস। যদিও আরও এক অভিযুক্ত পূজা দেবীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কেন এভাব খুন করা হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে জীবন কাটাতে ধৃত শিবচরণ প্রথম স্ত্রীকে খুন করে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।
মৃত ওই মহিলার নাম সাবিত্রী দেবী। গত কয়েক বছর আগে আমজোড়া গ্রামের বাসিন্দা শিবচরণের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের এক সন্তানও আছে। কিন্তু প্রথম বিবাহে আবন্ধ থাকাকালীনই দ্বিতীয় বিয়ে করেন অভিযুক্ত। প্রথম স্ত্রীকে আড়ালে রেখেই এই ঘটনা ঘটান। যা নিয়ে প্রথম স্ত্রীয়ের সঙ্গে অশান্তি লেগেই থাকত শিবচরণের। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী পূজাকে নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন তিনি। পুলিশের অনুমান, দু’জনে মিলে সাবিত্রীকে খুনের ছক তৈরি করেন তাঁরা। এমনকী কবে কীভাবে এই ঘটনা ঘটানো হবে সেই ছকও তৈরি হয়ে যায় বলেও অনুমান তদন্তকারীদের।
আর সেই সাজানো ছকেই সাবিত্রীকে বুধবার রাতে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। শুধু তাই নয়, প্রমাণ লোপাট করতে স্থানীয় একটি নদীর চরে বালির মধ্যে পুঁতে দেওয়া হয় সেই দেহও। কিন্তু তা করতে ব্যর্থ হন অভিযুক্তরা। বিষয়টি জানাজানি হতেই গা ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত শিবচরণ। যদিও হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় অভিযুক্ত পুজা। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, মৃতের দেহে একাধিক ক্ষত রয়েছে। ধারাল অস্ত্র দিয়েই খুন করা হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের