Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৭ জুন ২০২৬
Hyderabad

স্ত্রীর দেহ টুকরো করে কুকারে সেদ্ধ, হাড় গুঁড়ো হামানদিস্তায়, পৈশাচিক কীর্তি স্বীকার প্রাক্তন সেনাকর্তার

এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৫, ১৩:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৫, ১৩:১০

options
link
স্ত্রীর দেহ টুকরো করে কুকারে সেদ্ধ, হাড় গুঁড়ো হামানদিস্তায়, পৈশাচিক কীর্তি স্বীকার প্রাক্তন সেনাকর্তার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাড়হিম হত্যাকাণ্ড হায়দরাবাদে। স্ত্রীকে খুন করার পর পৈশাচিক কীর্তি প্রাক্তন সেনাকর্তার! প্রথমে স্ত্রী দেহ বাথরুমে নিয়ে গিয়ে টুকরো টুকরো করেন। হাড় গুঁড়ো করেন হামানদিস্তায়। তারপর তিনদিন ধরে সেই দেহাংশই সেদ্ধ করেন প্রেসার কুকারে। অবশেষে নৃশংস কাণ্ড লুকোতে সেগুলো ফেলে দেন লেকে। কিন্তু রেহাই পাননি ওই অভিযুক্ত প্রাক্তন সেনাকর্তা। পুলিশের কাছে ধরা পড়ে নিজেই স্বীকার করেছেন সমস্ত কিছু। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পিটিআই সূত্রে খবর, গুরু মূর্তি নামে ৪৫ বছরের ওই ব্যক্তি আগে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। অবসরের পর এখন তিনি নিরাপত্তারক্ষী হিসাবে কাজ করেন। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে তাঁর স্ত্রী বেঙ্কট মাধবীর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বহু খোঁজাখুঁজির পর ১৮ জানুয়ারি স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মাধবীর বাবা-মা। মনে করা হচ্ছিল, রোজকার অশান্তি থেকে রেহাই পেতে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন ওই মহিলা। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। প্রথম থেকেই তাদের সন্দেহ ছিল অভিযুক্ত গুরুর উপর। স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়া নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই অপরাধ স্বীকার করে নেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ আধিকারিক নাগারাজু জানান, জেরায় গুরু দাবি করেছেন, স্ত্রীকে খুন করার পর প্রথমে তিনি দেহ টেনে নিয়ে যান বাথরুমে। সেখানে কুচি কুচি করে কাটার পর হাড় থেকে মাংস আলাদা করেন। হাড়গুলো গুঁড়িয়ে ফেলেন হামানদিস্তায়। বাকি অংশগুলো সেদ্ধ করেন প্রেসার কুকারে। এই কাজ তিনি তিনদিন ধরে করেন। এরপর সেই টুকরোগুলো ভাসিয়ে দেন গুঁড়ো মীরপেট লেকে।

গুরুর দাবি মতো ওখানেই এখন মাধবীর দেহাংশ খুঁজছে পুলিশ। তল্লাশিতে নামানো হয়েছে পুলিশি কুকুরও। তবে বুধবার রাত পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির পর সেখান থেকে কোনও দেহাংশ খুঁজে পায়ননি তদন্তকারিরা। কিন্তু কেন স্ত্রীকে এইভাবে খুন করলেন গুরু? জানা গিয়েছে, দুজনের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল তুঙ্গে। প্রায়ই স্ত্রীর গায়ে হাত তুলতেন গুরু। তবে এই খুনের আসল কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.