Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Gomutra

‘গোমাংস খাওয়া অধিকার হলে গোমূত্র পান কেন নয়’, প্রশ্ন বিজেপি নেত্রীর

গোমূত্রের 'উপকারিতা' নিয়ে মাদ্রাজ আইআইটির ডিরেক্টরের মন্তব্যের সমর্থন করলেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ২০:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ২০:২৩

options
link
‘গোমাংস খাওয়া অধিকার হলে গোমূত্র পান কেন নয়’, প্রশ্ন বিজেপি নেত্রীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোমূত্র ‘অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল’ (ব্যাকটেরিয়া বিরোধী) এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল (ফাঙ্গাল বিরোধী)। সদ্য মাদ্রাজ আইআইটি-র ডিরেক্টর অধ্যাপক ভি কামাকোটির মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এর মধ্যেই নয়া বিতর্ক তামিলনাড়ুর প্রাক্তন বিজেপি সভাপতির মন্তব্য ঘিরে।

সিনিয়র নেত্রী তামিলিসাই সৌন্দর্যরাজন কামাকোটির মন্তব্যকে সমর্থন করতে গিয়ে বলেছেন, ”একটি শ্রেণি দাবি করছে, গোরুর মাংস খাওয়া তাদের অধিকার। তাহলে অন্য শ্রেণি যদি দাবি করে, গোমূত্র পান করলে অসুখ সারে, কেন তা নিয়ে কথা হবে?”

Advertisement

অধ্যাপক কামাকোটিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিজ্ঞান জগতের ব্যক্তিত্ব হয়েও কুসংস্কার ছড়ানো কি উচিত কাজ হচ্ছে? উত্তরে আইআইটির ডিরেক্টর দাবি করেন, “গোমূত্রের ‘অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল’ (ব্যাকটেরিয়া বিরোধী) এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল (ফাঙ্গাল বিরোধী) গুণ বিজ্ঞানভিত্তিক ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকার নামী জার্নালে সেই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।” আইআইটি মাদ্রাজের কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ওয়েবসাইট অনুযায়ী কামাকোটি কম্পিউটেশনাল জিওমেট্রির অধ্যাপক। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “আগে থেকে ধরে নেওয়া হয় যে গোমূত্রের উপকারিতার কোনও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ নেই।” ২০২১ সালের জুন মাসের নেচার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রবন্ধের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

যদিও কামাকোটি বা সৌন্দর্যরাজনের একেবারে উলটো কথাও বলেছেন অন্য গবেষকরা। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে পশুবিদ্যায় দেশের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান বেরিলির ইন্ডিয়ান ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষণক দল দাবি করেছে, তাদের পরীক্ষায় গোমূত্রে ১৪ রকমের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাজা গোমূত্রে এসচেরিচিয়া কোলি-সহ ১৪টি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকায় সরাসরি তা পান করলে পেটে সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হয়। সব মিলিয়ে গরুর প্রস্রাব কখনই মানুষের পানযোগ্য নয়। গরু ও মহিষের ৭৩টি মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞরা এমন দাবি করেছিলেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.