Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

‘সম্প্রীতি’ই শক্তি, ভারতীয় সেনার সঙ্গে মহড়া শুরু বাংলাদেশি ফৌজের       

এই যুদ্ধাভ্যাসের নাম দেওয়া হয়েছে 'সম্প্রীতি'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২০, ১১:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২০, ১১:২৫

options
link
‘সম্প্রীতি’ই শক্তি, ভারতীয় সেনার সঙ্গে মহড়া শুরু বাংলাদেশি ফৌজের        zoom

অর্ণব আইচ: গেরিলা ফৌজ নিয়ে লড়াই শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান। সেনা চলনায় তাঁর অভিজ্ঞতা ছিল প্রায় শূন্যের কোঠায় । বাঙালি গেরিলাদের সমরকৌশল শিক্ষিত খান সেনার তুলনায় কিছুই ছিল না। তবে বাঙালি যোদ্ধাদের উৎসাহ, লড়াকু মনোভাব আর ভারতের কৌশলগত মদতে জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই দেশের ফৌজই আজ ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মহড়া শুরু করেছে।            

গত সোমবার থেকে মেঘালয়ে ভারতের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে বাংলাদেশের ফৌজ। এই যুদ্ধাভ্যাসের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সম্প্রীতি’। ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সহযোগিতা আরও মজবুত করে নিজেদের যুদ্ধকৌশল ঝালিয়ে নেবে দু’দেশের ফৌজ। উল্লেখ্য, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং শহরের ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ভারতীয় সেনার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উমরই ক্যান্টনম্যান্ট এলাকায় শুরু হয়েছে এই মহড়া। সেনা সূত্রে খবর, ‘সম্প্রীতি’র নবম অধ্যায়ে মূলত কমান্ড পোস্ট এক্সারসাইজ ও ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ থাকছে।এর মাধ্যমে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সন্ত্রাসদমন, সমন্বয় ও যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপত্তি বিস্তারের বিষয়গুলি ঝালিয়ে নেওয়া হবে। এই মহড়ায় দুই দেশের বাহিনী থেকেই ১৪২ জন করে জওয়ান অংশ নিচ্ছেন।  

Advertisement

ভারতীয় সেনার মুখপাত্র লেফট্যানান্ট কর্নেল হর্ষবর্ধন পাণ্ডে জানান, “১৪ দিন ধরে এই যৌথ মহড়া চলবে। সন্ত্রাসদমনের নয়া কৌশল ও সন্ত্রাসবাদীদের ডেরা ধংস করার  মহড়া চালানো হবে। পাশাপাশি, দুই সেনার পরিকাঠামো বা কমান্ড স্ট্রাকচারের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টিও থাকছে।” জানা গিয়েছে, উমরইয়ের পরিবেশ এহেন মহড়ার পক্ষে আদর্শ। ফলে জওয়ানদের কৌশল ও লড়াই করার ক্ষমতা পরীক্ষা করার এটি আদর্শ জায়গা।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেও ‘নেইবার ফার্স্ট’ ও ‘লুক ইস্ট’ নীতিতে জোর দিয়েছে মোদি সরকার। সেই পথে হেঁটেই বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক ক্ষেত্রে সহযোগীতা আরও বাড়িয়ে তুলছে ভারত। শুধু তাই নয়, চিনকে ঠেকাতে মায়ানমার, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গেও সম্পর্ক মজবুত করছে নয়াদিল্লি। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত। এর ফলও পেয়েছে ভারত। অসম-সহ দেশের উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলিতে হ্রাস পেয়েছে সন্ত্রাসবাদ। কারণ বাংলাদেশের জমি থেকে ভারত বিরোধী সংগঠনগুলিকে উচ্ছেদ করেছেন হাসিনা। 

[আরও পড়ুন: শাহিনবাগের CAA বিরোধী মঞ্চে মৃত্যু দুধের শিশুর, সন্তানশোক ভুলে আন্দোলনে মা-বাবা]                             

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.