Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
India-China Relations

গালওয়ান ভুলে গলাগলি? দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা

চিনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের উপমন্ত্রী সান হাইয়ানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে এসেছ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৩:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৩:৪৯

options
link
গালওয়ান ভুলে গলাগলি? দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা zoom
দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির দল। ছবি সংগৃহীত

গালওয়ান ভুলে কাছাকাছি আসছে চিন-ভারত? এসসিও সামিটের পর এবার দিল্লি। মোদি-শি পাশপাশি দাঁড়িয়ে হাসিমুখে ছবি তোলার পর এবার আরও কাছাকাছি দুই দল। এবার, চিনের কমিউনিস্ট পার্টির একটি দল এসেছে দিল্লিতে বিজেপি-র সদর দপ্তরে। কিছুদিন আগেই চিনের উপর চাপানো বেশ কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে বিজেপি সরকার। দুই দলের এই বৈঠক আসলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের দিকে এক পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানা গিয়েছে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের উপমন্ত্রী সান হাইয়ানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে এসেছ। দুই দলের বৈঠকে, বিজেপির তরফে যোগ দেয় দলের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিংয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। বিজেপির বিদেশ বিষয়ক বিভাগের ইনচার্জ বিজয় চৌথাইওয়ালে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখেন, “বিজেপি এবং চিনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে আন্তঃদলীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার উপায় প্রসঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।” অন্যদিকে, ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত এই প্রতিনিধি দলে যোগ দিয়েছেন।

Advertisement

ঐতিহাসিকভাবে, বিজেপি এবং সিপিসি ২০০০ সালের শেষের দিক থেকে যোগাযোগ রয়েছে। বিজেপির বেশ কয়েকটি প্রতিনিধিদল বেজিং সফরে চিনা নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন। তবে, ২০২০ সালে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই সম্পর্কে সাময়িক ছেদ দেখা যায়। কিন্তু দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি দুই দলের সম্পর্কও যে নতুন দিশা পাচ্ছে তা এই সফর থেকে পরিষ্কার।

২০২০-এর গালওয়ান সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানদের মৃত্যু, রক্ত ঝরার পর চিনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ চাপিয়েছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। নিয়ম করেছিল, ভারতের সরকারি কাজের বরাত পেতে গেলে চিনা সংস্থাগুলিকে এদেশের সরকারি কমিটিতে নথিভুক্তি করতে হবে। রাজনৈতিক, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ছাড়পত্রও পেতে হবে। বিধিনিষেধের জেরে প্রায় ৭০০ থেকে ৭৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থমূল্যের প্রোজেক্টে শামিল হতে পারেনি একাধিক চিনা কোম্পানি। তবে এবার সেই কড়াকড়ি শিথিল করতে চলেছে মোদি সরকার, এমনটাই সূত্রের খবর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.