Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
India-China Relations

এবার আরএসএস দপ্তরে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিদল, সাক্ষাৎ হোসাবলের সঙ্গে

কোন কোন বিষয়ে কথা হয়েছে সংঘ এবং সফরকারী চিনা প্রতিনিধিদলের মধ্যে, তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে গেরুয়া নেতাদের গলাগলি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৬:১৫

options
link
এবার আরএসএস দপ্তরে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিদল, সাক্ষাৎ হোসাবলের সঙ্গে zoom
Advertisement

গালওয়ান ভুলে কাছাকাছি আসছে চিন-ভারত! নেপথ্যে শুল্কযুদ্ধে মার্কিন চাপ। চার বছর বন্ধ থাকার পর শুরু হয়েছে মানস সরোবর যাত্রাও। এসসিও সামিটে হাসিমুখে পাশাপাশি দেখা গিয়েছে নরেন্দ্র মোদি এবং শি জিনপিংকে। এবার ভারত সফরে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির একটি দল। মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপি-র সদর দপ্তরে বৈঠকের পর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সঙ্গেও বৈঠক করল। সংঘের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে গেরুয়া নেতাদের গলাগলি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।

চিনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের উপমন্ত্রী সান হাইয়ানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল দিল্লিতে সংঘ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই চিনা দলে ছিলেন ভারতের চিনা রাষ্ট্রদূত শু ফিয়ংও। সংঘের তরফে জানানো হয়েছে, “সংঘ সর্বদা সকল মতাদর্শ এবং বিশ্বাসের লোকদের সঙ্গে খোলা মনে সাক্ষাৎ করে। তারা (চিনি প্রধিনিধি দল) সংঘের কার্যপ্রণালী জানতে আগ্রহী হন। সংঘের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলের সঙ্গে দেখা করেন। এটি ছিল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ।” তবে ঠিক কী কী বিষয়ে কথা হয়েছে সংঘ এবং সফরকারী চিনা প্রতিনিধিদলের মধ্যে, তা প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

Advertisement

এই চিনা দলে ছিলেন ভারতের চিনা রাষ্ট্রদূত শু ফিয়ংও।

এর আগে বিজেপির সদর দপ্তরে যায় চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা। বিজেপির বিদেশ বিষয়ক বিভাগের প্রধান বিজয় চৌথাইওয়ালে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখেন, “বিজেপি এবং চিনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে আন্তঃদলীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার উপায় প্রসঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।”

গেরুয়া নেতাদের সঙ্গে চিনা প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর চিনা দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল সংঘের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিল। যদিও ২০২০ সালে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই সম্পর্কে সাময়িক ছেদ পড়ে। কংগ্রেসের বক্তব্য, গালওয়ান অতীত হলেও নতুন করে পূর্ব কারাকোরাম পর্বতমালার শাক্সগাম উপত্যকায় সীমান্ত বরাবর ‘অবৈধ’ নির্মাণ চালাচ্ছে চিন। সেই চিনের সঙ্গে কোন যুক্তিতে গলাগলি করছে গেরুয়া নেতারা?  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.