৭ শ্রাবণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সবুজ শস্যের মাঠে যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাক্ষুসে পঙ্গপালের ঝাঁক। সেভাবেই এবার জঙ্গিঘাঁটিগুলির উপর আছড়ে পড়বে ভারতের আত্মঘাতী ড্রোন। বালাকোটের মতো জঙ্গিদমন অভিযানে এবার ‘বুদ্ধিমান’ ড্রোন বাহিনী গড়তে চলেছে ভারত।

[আরও পড়ুন: শত্রু নিকেশে মাইক্রো ড্রোন হাতিয়ার আমেরিকার]

জানা গিয়েছে, ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ সম্পন্ন ড্রোন তৈরি করার কাজ শুরু করে দিয়েছে হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)। ইতিমধ্যেই বেঙ্গালুরুর ‘নিউ স্পেস রিসার্চ’ নামের একটি স্টার্টআপ সংস্থার সঙ্গে গাঁঠছড়া বেঁধেছে হ্যাল। কাজও এগিয়ে গিয়েছে অনেকটাই। সূত্রের খবর, আগামী দু’বছরের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে ভরতের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ড্রোন বাহিনী। এই অত্যাধুনিক ড্রোনগুলির নাম দেওয়া হয়েছে ‘এয়ার লঞ্চড ফ্লেক্সিবল অ্যাসেট’ (ALFA)। নয়া এই উদ্যোগের প্রজেক্ট ম্যানেজার বলেন, “মাঝ আকাশে লড়াইয়ের ভবিষ্যৎ এই ড্রোন বাহিনী। প্রযুক্তির উন্নতি ও রণকৌশলে পরিবর্তনের সঙ্গেই জরুরি হয়ে উঠেছে ‘স্মার্ট ড্রোন’। প্রচণ্ড বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে হামলা চালিয়ে পাইলটদের বহুমূল্য জীবন বাঁচাবে চালকবিহীন ড্রোনগুলি।”

হ্যাল সূত্রে খবর, স্মার্ট ড্রোনগুলি দৈর্ঘ্যে ১.৫ মিটার। প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে ১০০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা গতিতে এগুলি উড়তে সক্ষম হবে। লক্ষ্যবস্তু সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গেই এর ভিতরে থাকা বিস্ফোরক প্রচণ্ড শক্তিতে বিস্ফোরণ ঘটাবে। পরীক্ষামূলকভাবে দু’টি ডানাযুক্ত ড্রোন বায়ুসেনার হক জেট ট্রেনার বিমান থেকে লঞ্চ করা হবে। ওই বিমানের মধ্যে থাকবে একাধিক ‘ক্যানিস্টার’ বা মিসাইলের আকারের ড্রাম। সেগুলির মধ্যে পোরা থাকবে এক ঝাঁক স্মার্ট ড্রোন। নিরাপদ দূরত্ব থেকে, অর্থাৎ শত্রুর মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম বা যুদ্ধবিমানের আওতার বাইরে থেকেই, স্মার্ট ড্রোনগুলি ছুঁড়তে পারবেন পাইলট। ছোঁড়া হয়ে গেলে, খানিকটা পঙ্গপালের ঝাঁকের মতোই নিজেদের মধ্যেই অত্যাধুনিক কম্পিউটার ও সেন্সরে মাধ্যমে ‘কথা চালাচালি’ করে নিশানায় আঘাত হানবে এই অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র। পরবর্তী সময়ে ভারতীয় বায়ুসেনার অত্যাধুনিক সুখোই-৩০ ও আগত রাফালে বিমান-সহ অন্যান্য যুদ্ধবিমান থেকেও ড্রোনগুলি ছোঁড়া যাবে। এই প্রকল্প সফল হলে এবার বালাকোটের মতো হামলা চালাতে আর অভিনন্দনদের মতো পাইলটদের জীবন বিপন্ন করতে হবে না৷         

         [আরও পড়ুন: জলে ও স্থলে ‘ড্রাগন’ বধে আসছে K-4]                       

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং