Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bangladesh Protest

‘অশান্ত বাংলাদেশে যাবেন না’, ভারতীয়দের কড়া নির্দেশ বিদেশমন্ত্রকের

বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য তিনটি হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের তরফে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৪, ১৩:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৪, ১৩:৪২

options
link
‘অশান্ত বাংলাদেশে যাবেন না’, ভারতীয়দের কড়া নির্দেশ বিদেশমন্ত্রকের zoom
ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেখ হাসিনা সরকারের অবসান চেয়ে ফের বিক্ষোভে (Protest) উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh)। রবিবার একদিনেই সেদেশে অন্তত ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে বাংলাদেহশ নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক। সেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতীয়রা যেন এই সময়ে বাংলাদেশে না যান। এছাড়াও সেদেশে থাকা ভারতীয়দের অত্যন্ত সতর্ক থাকতেও নির্দেশ দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।

রবিবার রাতে বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিশেষ নির্দেশিকা পোস্ট করা হয় এক্স হ্যান্ডেলে। সেখানে লেখা হয়েছে, “বর্তমান পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রেখে জানানো হচ্ছে, ভারতীয়রা যেন কোনওভাবেই বাংলাদেশে না যান। পরবর্তী নির্দেশিকা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর স্থগিত রাখুন ভারতীয়রা। আপাতত যেসমস্ত ভারতীয়রা বাংলাদেশে রয়েছেন, তাঁদেরও নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেন সতর্ক থাকেন। ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনের সঙ্গে যেন যোগাযোগ রাখেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: লালু-নীতীশমুক্ত বিহার গড়াই স্বপ্ন, নয়া দলের আবির্ভাবের আগেই লক্ষ্য জানালেন পিকে

বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য তিনটি হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের তরফে। উল্লেখ্য, রবিবার বিকেলেই বাংলাদেশে ভারতের সহকারী রাষ্ট্রদূত জানান, “সিলেটের এখতিয়ারে বসবাসকারী ছাত্র-ছাত্রীসহ সকল ভারতীয় নাগরিকদের এই দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।” একটি আপৎকালীন ফোন নম্বরও দেন তিনি। তবে রাত গড়াতেই বাংলাদেশ নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করে বিদেশমন্ত্রক।

প্রসঙ্গত, কোটার দাবি মেটার পরেও রক্ত ঝরছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনা সরকারের অপসারণ চেয়ে ফের রাস্তায় নেমেছে পড়ুয়া এবং যুবসমাজের একাংশ। এর জেরে রবিবার বাংলাদেশে মৃত্যু হয়েছে ৯৭ জনের। এদের মধ্যে ১৪ জন পুলিশ। এদিন সে দেশে শুরু হয়েছে অসহযোগ আন্দোলন। বিভিন্ন জেলায় শাসকদল আওয়ামি লিগ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান আন্দোলনকারীরা। তাতেই বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যা। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বন্ধ করা হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। দেশজুড়ে জারি হয়েছে কার্ফু।

[আরও পড়ুন: OBC শংসাপত্র বাতিল মামলা: হাই কোর্টকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে রাজ্য, সোমে শুনানি!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.