Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Hunger Index

লজ্জা! বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ, পাকিস্তানেরও নিচে ভারত! গতবারের থেকে নামল আরও ছ’ধাপ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে একমাত্র তালিবান শাসিত আফগানিস্তান রয়েছে ভারতের নিচে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২২, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২২, ১৪:০৯

options
link
লজ্জা! বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ, পাকিস্তানেরও নিচে ভারত! গতবারের থেকে নামল আরও ছ’ধাপ zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে (Hunger Index) শ্রীলঙ্কা, নেপাল, বাংলাদেশ, পাকিস্তানের (Pakistan) চেয়েও নিচে অবস্থান ভারতের! দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে একমাত্র তালিবান শাসিত আফগানিস্তান রয়েছে ভারতের নিচে। ২০২১ সালের তুলনায় তালিকায় আরও নিচে নেমে গিয়েছে নয়াদিল্লি। গতবারের ১০১ নম্বর অবস্থান থেকে নেমে ভারত এখন ১২১টি দেশের মধ্যে ১০৭ নম্বরে।

জানা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কা (৬৪), নেপাল (৮১), বাংলাদেশ (৮৪) ও পাকিস্তান (৯৯) ভারতের থেকে উঁচুতে রয়েছে তালিকায়। ১০৭ নম্বরে থাকা ভারতের স্কোর ২৯.১। এদেশের ক্ষুধার মাত্রাকে ‘গুরুতর’ ক্যাটাগরিতে ফেলা হয়েছে। এদিকে চিন রয়েছে ১ থেকে ১৭ নম্বরের মধ্যেই। এই অবস্থানে থাকা দেশগুলির পয়েন্ট ৫-এরও কম।
মূলত চারটি বিষয়কে সামনে রেখে সেই মাপকাঠি অনুযায়ীই তৈরি হয় এই সূচক। এগুলি হল অপুষ্টি, পাঁচ বছরের কমবয়সি শিশুদের উচ্চতা, মৃত্যুহার, উচ্চতার তুলনায় ওজন। এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ইউনিসেফ, বিশ্ব ব্যাঙ্ক, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতো বহু সংস্থার থেকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আমাদের তিন স্ত্রী থাকলেও সবাইকে সম্মান করি, কিন্তু হিন্দুরা…’, মিম নেতার মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক]

তালিকায় ভারতের থেকে নিচে রয়েছে কারা? জানা গিয়েছে, আফগানিস্তান ছাড়া ভারতের নিচে রয়েছে জাম্বিয়া, লাইবেরিয়া, নাইজার, হাইতি, চাদ, কঙ্গো, মাদাগাস্কার, ইয়েমেনের মতো দেশগুলি। তবে এই তালিকায় গিনি, জিম্বাবোয়ে, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সিরিয়ার মতো ১৫টি দেশকে রাখা হয়নি। কেননা এই দেশগুলির তথ্য হাতে আসেনি।

গত বছর তালিকা প্রকাশের পর সূচকের পরিমাপ পদ্ধতির সারবত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল কেন্দ্র। দাবি করেছিল, এই তালিকা প্রস্তুতির পদ্ধতিতেই গলদ রয়েছে। তা একেবারেই বাস্তবসম্মত ও তথ্যনিষ্ঠ নয়। মন্ত্রকের দাবি ছিল, এই পদ্ধতি পুরোটাই অবৈজ্ঞানিক। এবারের তালিকা নিয়েও কেন্দ্র কোনও বিবৃতি দেয় কিনা সেটাই এখন দেখার।

[আরও পড়ুন: ৮ বছর পরও মিলল না মুক্তি, জেলেই থাকতে হবে মাও কার্যকলাপে অভিযুক্ত অধ্যাপককে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.