Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মানবতার অনন্য নজির, পাকিস্তানি খুদেকে মিষ্টি খাইয়ে দেশে ফেরাল ভারতীয় সেনা

কী ঘটেছিল?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০১৮, ২১:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০১৮, ২১:০০

options
link
মানবতার অনন্য নজির, পাকিস্তানি খুদেকে মিষ্টি খাইয়ে দেশে ফেরাল ভারতীয় সেনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে ভারত, অন্যদিকে পাকিস্তান। শত্রুতা এদের চিরন্তন সঙ্গী। দুই দেশের মাঝখানের সীমানা অনেক ঘটনার সাক্ষী। কখনও গুলি বিনিময়, কখনও শেল ছোঁড়াছুঁড়ি, কখনও আবার জঙ্গি অনুপ্রবেশ, অনেক কিছুই দেখেছে এই সীমান্ত। কিন্তু এমন ঘটনা হয়তো তার ইতিহাসে এই প্রথম। সীমান্ত টপকে আসা পাকিস্তানি খুদেকে মিষ্টি খাইয়ে বাড়ি পাঠাল ভারতীয় সেনা। মানবতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি করল।

নিয়ন্ত্রণরেখার ওপার থেকে আজ পর্যন্ত গুলি, বোমা আর জঙ্গি ছাড়া কিছুই পাঠায়নি পাকিস্তান। গোলটেবিলে দুই দেশের মাথারা বহুবার মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান কিছু হয়নি। বরং ওপার থেকে জঙ্গিদের আগমনে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখেছ পাকিস্তান। আর এপাশ থেকে যদি কেউ পথভুলে সীমান্তের ওপারে এক পাও রেখেছে, তার মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। সরবজিৎ সিং তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। রাতের বেলা ভুল করে সীমান্তের বেড়াজাল টপকে ফেলেছিলেন তিনি। তার মূল্য জীবন দিয়ে দিতে হল তাঁকে। ভারতের ‘গুপ্তচর’ তকমা লাগিয়ে তাঁকে বছরের পর বছর ধরে জেলে বন্দি করে রাখা হয়। জীবনের শেষ দিনও সরবজিৎ দেশের মাটিতে ফিরতে পারেননি।

Advertisement

পাসপোর্ট করাতে অফিসে আর ম্যারেজ সার্টিফিকেট জরুরি নয়, ঘোষণা সুষমার ]

কিন্তু পাকিস্তানের এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাল না ভারত। ভুলবশত কেউ সীমান্ত পার করে ফেলতেই পারে। তাই বলে কিনা বাক্যব্যয়ে তাকে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে বা গুলি করা হবে, এমন নয়। ভারত সেটাই দেখাল। পথভুলে ১১ বছরের মহম্মদ আবদুল্লা চলে এসেছিল ভারতে। সীমান্তের বেড়াজাল সে বোঝে না। খেলতে খেলতেই পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে এসেছিল সে। দিনটা ছিল ২৪ জুন। পুঞ্চ জেলার দেগওয়ারে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানরা তাকে সেদিনই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের হাতে তুলে দেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই তো আর তাকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া যায় না। জরুরি কাগজপত্র তৈরি করতে কিছুটা হলেও সময় লাগে। পুলিশ এই কাজ করতে চার দিন সময় নেয়। এই চারদিন ভারতের অতিথি হয়েই ছিল সে।

[ ‘অশালীন’ জিনস, টি-শার্ট অফিসে না পরে আসার ফতোয়া রাজস্থানে ]

সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আবদুল্লাকে মানবতার খাতিরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সেনা তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। কিন্তু নির্দোষ নাগরিকের সঙ্গে তারা কোনও সেনাসুলভ আচরণ করে না। আবদুল্লাকে নিজের দেশে অবশ্য খালি হাতে ফেরত পাঠায়নি সেনা। ছোট্ট আবদুল্লাকে দিয়েছে পছন্দের মিষ্টি। তার হাতে তুলে দিয়েছে নতুন জামাও। ইদের উপহার? নাকি ভারতের ‘অতিথি দেব ভব’-এর নজির?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.