BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

চূড়ান্ত সাফল্যের মুখ দেখল অগ্নি-৫, আতঙ্কে থরহরি কম্প চিন

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 18, 2018 7:19 am|    Updated: January 18, 2018 7:19 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্যের নিরিখে ভারতের মুকুটে নতুন পালক। ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল অগ্নি-৫-এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চূড়ান্ত সাফল্যের মুখ দেখল। বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা উপকূলে আবদুল কালাম আইল্যান্ড থেকে মিসাইলটি ছোড়া হয়। এই উৎক্ষেপণ ভারতের ‘স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড’-এর নেতৃত্বর সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।

[চিন পরমাণু হামলা চালালে পাল্টা বেজিংকে শ্মশান করে দেবে ‘অগ্নি-৫’]

অগ্নি-৫ নিউক্লিয়ার বোমা বহনে সক্ষম আন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র। মূলত চিনা আগ্রাসনের কথা মাথায় রেখেই এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা বাড়িয়ে একে আরও ভয়াবহ করে তোলা হয়েছে। এই মিসাইলটি প্রাথমিকভাবে ৫০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। বেজিংকেও নিশানার মধ্যে এনে ফেলেছে ডিআরডিও-র এই ব্রেন-চাইল্ড। ‘অগ্নি-৫’ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চিনের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে৷ বেজিংও এখন এসে গিয়েছে ভারতের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার মধ্যে৷ এবার চূড়ান্ত সংঘাত বাঁধলে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে চিনের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা দাগতে বিন্দুমাত্র দেরি করবে না। আজকের পরীক্ষায় লেটার মার্কস নিয়ে পাস করেছে মিসাইলটি, খবর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, ‘পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম অগ্নি-৫-এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ আজ চূড়ান্ত সাফল্য পেয়েছে। মিসাইলটি সকাল ৯.৫৩ মিনিটে ছোড়া হয়।’

[পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম ‘অগ্নি-৫’ উৎক্ষেপণে তৈরি ভারত]

শেষবার মিসাইলটির পরীক্ষা হয়েছিল ২০১৬-র ২৬ ডিসেম্বর। সেবার ছিল মিসাইলটির চতুর্থ দফার পরীক্ষা। ২০০৩-এ প্রতিষ্ঠিত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ন্ত্রণ করে যে ‘স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড’, তারাই কয়েকবার পরীক্ষার পর সেনাবাহিনীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫০ টনের এই মিসাইলটি তুলে দেবে। ১৭ মিটার দীর্ঘ ‘অগ্নি-৫’ ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৫-তেও পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতিবারই এই মিসাইল সাফল্যের মুখ দেখেছে। সেনার হাতে এই মিসাইল উঠে এলে যেখান থেকে খুশি একে ছোড়া যাবে। এই মিসাইল ভারতের সশস্ত্র সেনাবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হলে ভারত বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের সঙ্গে একসারিতে বসবে। আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ফ্রান্স ও ব্রিটেন ছাড়া অন্য কোনও দেশের কাছে ৫০০০-৫৫০০ কিলোমিটার পাল্লা দেওয়ার মতো আইসিবিএম নেই। পারমাণবিক যুদ্ধে হামলা করার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হামলা সহ্য করে পালটা হামলা চালানোর প্রক্রিয়া৷ যাকে পোশাকি ভাষায় বলে ‘কাউন্টার নিউক্লিয়ার স্ট্রাইক৷’ ভারত সেই সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এখন আরও একধাপ এগিয়ে গিয়েছে বলে মত সামরিক বিশেষজ্ঞদের৷

[চিনের সীমানা ছুঁতে তৈরি ভারতের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘অগ্নি ৫’]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement